📌 ঢাকার রিকশাচিত্র শিল্পী মোহাম্মদ হানিফ পাপ্পুরের জীবনকাহিনী এবং তাঁর শিল্পের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ইউনেস্কো রিকশাচিত্রকে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। হানিফ পাপ্পুরের দৃঢ়তা এবং শিল্পের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন নিয়ে প্রতিবেদনটি আলোকপাত করেছে
ঢাকার রিকশাচিত্র শিল্পের ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রকে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই স্বীকৃতির পেছনে দাঁড়িয়েছেন মোহাম্মদ হানিফ পাপ্পুরের মতো শিল্পীরা, যাঁরা প্রতিকূলতার মধ্যেও রিকশাচিত্রের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৬৭ বা ১৯৬৮ সাল থেকে শুরু করে হানিফ পাপ্পু মামার হাত ধরে সিনেমার ব্যানার আঁকতেন এবং রিকশার প্লেটে জনপ্রিয় সিনেমার দৃশ্য চিত্রিত করতেন
- 📌 ডিজিটাল শিল্পের প্রসার ঘটার পরেও হানিফ পাপ্পুর কাজ ছাড়েননি এবং তাঁর দৃঢ় উচ্চারণ ছিল, ‘ভাতে মরলেও এই কাজ আমি ছাড়ব না’
- 📌 জীবিকার তাগিদে তিনি হারিকেন, মগ, কেটলি ও চশমার মতো দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসে রিকশাচিত্র আঁকতে শুরু করেন
- 📌 শিল্পের স্বীকৃতি পাওয়ার পর হানিফ পাপ্পুরের আশা, রিকশাচিত্রের মোটিফ, ঐতিহ্য ও ইতিহাস হারিয়ে না যায় এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় জায়গা পায়
- 📌 বর্তমানে হানিফ পাপ্পুরের সঙ্গে বেশির ভাগ কাজ করেন শাগরেদ মুনির হোসেন
📰 বিস্তারিত
মোহাম্মদ হানিফ পাপ্পুরের জীবনকাহিনী একটি আকর্ষণীয় কাহিনি। তিনি ১৯৬৭ বা ১৯৬৮ সাল থেকে মামার হাত ধরে সিনেমার ব্যানার আঁকা শুরু করেন। দীর্ঘদিন তিনি সিনেমার পোস্টার এবং রিকশার প্লেটে জনপ্রিয় সিনেমার দৃশ্য আঁকতেন। ডিজিটাল শিল্পের দাপটে কাজ কমে যাওয়ার পরেও তিনি কাজ ছাড়েননি। তাঁর দৃঢ়তা এবং শিল্পের প্রতি আগ্রহের কথা বলতে গেলে, তিনি বলতেন, ‘ভাতে মরলেও এই কাজ আমি ছাড়ব না’।
জীবিকার তাগিদে তিনি হারিকেন, মগ, কেটলি ও চশমার মতো দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসে রিকশাচিত্র আঁকতে শুরু করেন। একসময় অনেকে তাঁকে কাজ না পেয়ে পাগল হয়ে যাওয়ার কথা ভাবতেন। কিন্তু তাঁর সেই কাজই পরে কুড়িয়েছে প্রশংসা। এখন তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন এবং তাঁর কাজের প্রতি বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
হানিফ পাপ্পুরের আশা, রিকশাচিত্রের নিজস্ব মোটিফ, ঐতিহ্য ও ইতিহাস হারিয়ে না যায়। তিনি স্বপ্ন দেখেন, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে এই শিল্প প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় স্থান পাবে এবং নতুন প্রজন্মের হাত ধরে বেঁচে থাকবে। বর্তমানে তাঁর সঙ্গে বেশির ভাগ কাজ করেন শাগরেদ মুনির হোসেন।
"ভাতে মরলেও এই কাজ আমি ছাড়ব না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ হানিফ পাপ্পুর, শাগরেদ মুনির হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!