📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে দুই শিশুর জানাজার সময় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় দুই পুলিশ সদস্য মারধরের শিকার হন। ঘটনার পর তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে দুই শিশুর জানাজার সময় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির চেষ্টায় দুই পুলিশ সদস্য মারধরের শিকার হন। পরে তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুরুদাসপুর থানার এসআই আবুল বাশার ও কনস্টেবল রাকিব হোসেন মারধরের শিকার হন জানাজার সময়
- 📌 দুই শিশু ফারহান হোসেন ও লাম হোসেন নন্দকূজা নদীতে ডুবে মারা যান
- 📌 ঘটনার পর দুই পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে
- 📌 পুলিশ সুপার জানান, দুই সদস্যের তদন্তে ত্রুটি ছিল বলে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শ্যামপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে ফারহান হোসেন (৯) ও বাবলু হোসেনের ছেলে লাম হোসেন (৯) নন্দকূজা নদীতে গোসল করতে নামে। প্রবল স্রোতে তারা পানিতে তলিয়ে গেলে স্থানীয় এক জেলে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
ঘটনার পর দুই শিশুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার সময় গুরুদাসপুর থানার এসআই আবুল বাশার ও কনস্টেবল রাকিব হোসেন সেখানে উপস্থিত হন। তারা দুই শিশুর কাফনের কাপড় সরিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির উদ্যোগ নিলে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের প্রথমে তর্কাতর্কি এবং পরে ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্য মারধরের শিকার হন। আত্মরক্ষার জন্য তারা স্থানীয় একটি দোকানে আশ্রয় নেন। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা এসে তাদের উদ্ধার করেন।
"ঘটনাটি জানার পর পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে আহত দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।"
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক জানান, দুই পুলিশ সদস্যের তদন্তে ত্রুটি ছিল বলে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক চিকিৎসার পর দুই সদস্য গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্যামপুর গ্রাম, গুরুদাসপুর, নাটোর
- 👥 ব্যক্তি: এসআই আবুল বাশার, কনস্টেবল রাকিব হোসেন, ফারহান হোসেন, লাম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুইজন শিশু (৯ বছর বয়সী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!