📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুড়পুকুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা ফিরে এসেছে সাতক্ষীরা শহরে, স্মৃতির সাথে মেলে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম

গুড়পুকুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা ফিরে এসেছে সাতক্ষীরা শহরে, স্মৃতির সাথে মেলে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুই বছরের বিরতির পর সাতক্ষীরার শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে গুড়পুকুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা আজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা মেলার ঐতিহ্য ও স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে চেষ্টা করছেন। মেলায় তিন শতাধিক দোকান ও ঐতিহ্যবাহী বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে

দুই বছরের বিরতির পর সাতক্ষীরা শহরে গুড়পুকুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা আজ বৃহস্পতিবার আবার শুরু হয়েছে। এই মেলা শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে বসানো হয়েছে এবং স্থানীয়রা মেলার ঐতিহ্য ও স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের সাথে মেলে নিয়ে আসতে চেষ্টা করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আজিজুল ইসলাম বলেছেন, মেলায় তার ছোটবেলার স্মৃতি ফিরে এসেছে এবং নাতিকে নিয়ে এসেছেন মেলায়।
  • 📌 মেলায় বর্তমানে ৩০০-এরও বেশি দোকান রয়েছে, যেখানে মিষ্টি, কাপড়, মসলা, শাড়ি, খেলনা, আসবাবপত্র এবং প্রসাধনসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে।
  • 📌 ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মেলায় বোমা হামলায় তিনজন নিহত ও শতাধিক আহত হওয়ার পর মেলা বন্ধ ছিল। এবার মেলা ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
  • 📌 স্থানীয় প্রবীণ মো. ইদ্রিস আলী বলেছেন, আগে মেলা ছিল পুরো সাতক্ষীরা শহরজুড়ে, কিন্তু এখন সীমিত পরিসরে আয়োজিত হচ্ছে।
  • 📌 সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রশাসনিক উদ্যোগের ঘাটতিকে দায়ী করেছেন মেলার জৌলুশ কমে যাওয়ার জন্য।

📰 বিস্তারিত

আজিজুল ইসলাম (৬০+) সাতক্ষীরার পলাশপোল এলাকার বাসিন্দা। তিনি বলেন, তার বাবা যখন মেলায় আসতেন, তখন মেলায় ছিল অসংখ্য দোকান এবং মানুষের ভিড়। এখন মেলায় সেই জৌলুশ না থাকলেও নতুন প্রজন্মের সাথে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারছেন। তিনি মেলায় তার ছোটবেলার স্মৃতি ফিরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন।

মেলায় এসেছেন তরুণ মোকাররাম বিল্লাহ। তিনি বলেন, এই মেলার ঐতিহ্য ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মেলায় বন্ধুদের সাথে এসেছেন এবং মেলার ঐতিহ্য সম্পর্কে শুনেছেন।

মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আবদুল্লাহ আল মামুন লেবু দিয়ে তৈরি শরবত বিক্রি করছিলেন। তিনি বলেছেন, প্রথম দিনেই ভালো ভিড় হয়েছে এবং বাকি দিনগুলোতেও ভালো ব্যবসা আশা করছেন।

মো. ইদ্রিস আলী বলেছেন, আগে মেলা ছিল পুরো সাতক্ষীরা শহরজুড়ে, প্রাণসায়র খাল দিয়ে নৌকায় পণ্য আসত। মেলা সাত দিন চলতেও কাঠের খাট, পালঙ্ক, শোকেস ও আলমারির মতো আসবাবের দোকান এক মাস বা তারও বেশি সময় থেকে যেত।

নাসিমা খাতুন বলেছেন, ছোটবেলায় মেলায় বাবার সঙ্গে আসতেন এবং তখন মেলা থেকে আখ আর ইলিশ মাছ কিনে বাড়ি ফেরত যেতেন। সেই পরিবেশ এখন আর নেই।

গুড়পুকুরের মেলার বয়স নিয়ে স্থানীয় প্রবীণদের মধ্যে ৩০০ থেকে ৪০০ বছরের কথা প্রচলিত। মেলার সূত্রপাত হয়েছিল সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকায় মনসাপূজাকে কেন্দ্র করে। পরে তা বড় লোকজ মেলায় রূপ নেয়। মেলায় গ্রামীণ পণ্যের পাশাপাশি ইলিশ মাছ, গাছের চারা ও সুন্দরবনের গোলপাতাও বিক্রি হতো।

মুনজিতপুর এলাকার বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম বলেছেন, পুরো জেলার মানুষ, এমনকি যশোরের মানুষও মেলা থেকে আসবাবপত্র কিনতেন। সেই পরিবেশ এখন আর নেই।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বলেছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এ বছর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মেলা আয়োজন করা হয়েছে। মেলা চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত।

"এখন এই মেলা একটা নিয়ন্ত্রিত মেলা। অথচ আগে মেলা ছিল পুরো সাতক্ষীরা শহরজুড়ে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্ক, সাতক্ষীরা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজিজুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোস্তাফিজুর রহমান, কাউসার আজিজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০+ দোকান, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০২, ২০ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖