📌 গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা ২০১০-২০১২ সালের ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের বিলম্বিত পাওনা দাবিতে বুধবার ঢাকার জিপি হাউসে মানববন্ধন করে। তারা দাবি করেন, ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে সরকার ও প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত আইনসম্মতভাবে পাওনা নিষ্পত্তি করতে হবে
গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা ২০১০ থেকে ২০১২ সালের ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের বিলম্বিত পাওনা দাবিতে বুধবার রাজধানীর জিপি হাউসের সামনে মানববন্ধন করে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা দাবি করেছেন, ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে সরকার ও প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত আইনসম্মতভাবে পাওনা নিষ্পত্তি করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা ২০১০-২০১২ সালের ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলের বিলম্বিত পাওনা দাবিতে বুধবার জিপি হাউসে মানববন্ধন করে
- 📌 কর্মীরা দাবি করেছেন, ২০১২ সাল থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৬০ জন কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং তাদের পাওনা-সংক্রান্ত বিরোধ ১৬ বছর ধরে অনিষ্পন্ন রয়েছে
- 📌 প্রত্যেক সাবেক কর্মীর কাছে ভ্যাট ও কর বাদে ১০ কোটি টাকা করে পাওনা দাবি করা হচ্ছে, মোট পাওনা হাজার কোটি টাকার বেশি
- 📌 কর্মীরা জানান, ২২ মাস ধরে আন্দোলন করেও গ্রামীণফোনের কাছ থেকে কোনো সমাধান পায়নি
- 📌 বিটিআরসির লিগ্যাল কর্তৃপক্ষের একটি চিঠিতে আরবিট্রেশন বা এডিআর মাধ্যমে পাওনা নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাবিগুলো বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন এবং বেশিরভাগ কর্মীকে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য গ্রহণ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা আজ বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরায় জিপি হাউসের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে মানববন্ধন করে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা দাবি করেছেন, গ্রামীণফোন বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ আয়কারী মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর। তারা বলেছেন, কর্মীদের শ্রম ও ঘামের বিনিময়েই প্রতিষ্ঠানটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। অথচ ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে কয়েক হাজার কর্মীকে অন্যায্যভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাবেক কর্মী ফজলুল করিম প্রিন্স বলেছেন, ‘এই পাওনাটি আমাদের ন্যায্য ও আইনসম্মত পাওনা। ২২ মাস ধরে আন্দোলন করেও আমরা গ্রামীণফোনের কাছ থেকে কোনো কিছু পাইনি। কিছুদিন আগে আমরা বিটিআরসির লিগ্যাল কর্তৃপক্ষের একটি চিঠি পেয়েছি। সেখানে আরবিট্রেশন অথবা এডিআরের মাধ্যমে পাওনা নিয়ে আলোচনায় বসার কথা বলা হয়েছে। আমরা সে আশাবাদ ব্যক্ত করে গ্রামীণফোন ম্যানেজমেন্ট এবং গ্রামীণফোন টেলিকম ট্রাস্টি বোর্ডের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা আমাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে একটি সুরাহা করুন এবং আলোচনায় বসুন।’
কর্মীরা জানান, ২০১২ সাল থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত গ্রামীণফোন ৩ হাজার ৩৬০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। তাদের দাবি, এর মধ্যে অনেকের পাওনা-সংক্রান্ত বিরোধ প্রায় ১৬ বছর ধরে অনিষ্পন্ন রয়েছে। পাওনা আদায়ের দাবিতে কর্মীদের আন্দোলন শুরু হয় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে। এরপর বিক্ষোভ, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে এখনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
কর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসতে রাজি না হলে গ্রামীণফোন ও গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে লাগাতার কর্মসূচি দেওয়া হবে। কোনোভাবেই তাদের আন্দোলন স্তিমিত হতে দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
"এই পাওনাটি আমাদের ন্যায্য ও আইনসম্মত পাওনা। ২২ মাস ধরে আন্দোলন করেও আমরা গ্রামীণফোনের কাছ থেকে কোনো কিছু পাইনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জিপি হাউস, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলুল করিম প্রিন্স (সাবেক কর্মী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর (অপেক্ষা), ৫ শতাংশ (তহবিল), ১০ কোটি টাকা (প্রত্যেক কর্মীর পাওনা), ৩ হাজার ৩৬০ জন (চাকরিচ্যুত কর্মী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!