📌 রাজশাহী ও নাটোর জেলার বারনই নদীকে পুনরুজ্জীবিত ও দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ নদী পরিদর্শন করে বলেছেন, নদীটি দখল ও ভরাটের শিকার হওয়ায় পানি দূষিত হয়েছে। বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন ও প্রতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে
রাজশাহী ও নাটোর জেলার বারনই নদীকে দূষণ ও দখলমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নদী পরিদর্শন শেষে জানান, নদীটি দীর্ঘদিন ধরে ভরাট ও দূষণের শিকার হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের শরীরে ঘা হচ্ছে। এজন্য নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি দখলমুক্তির জন্য বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বারনই নদী পুনরুজ্জীবন প্রকল্পে** প্রতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে
- 📌 **১৫ দিন পরপর** টাস্কফোর্স সদস্যরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন
- 📌 **পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন ও সংসদ সদস্যদের** নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে
- 📌 **রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের** সহযোগিতায় নদী ময়লামুক্ত রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
- 📌 **নদীর পানি দূষিত** হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের শরীরে ঘা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে
📰 বিস্তারিত
বারনই নদীকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, নদীটি দীর্ঘদিন ধরে ভরাট ও দূষণের শিকার হওয়ায় পানি ব্যবহার করলে বা নদী পারাপারের সময় মানুষের শরীরে ঘা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, অতীতে অনেক নদী ও খাল খননের পর আবার দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বারনই নদীর ক্ষেত্রেও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা প্রতি ১৫ দিন পরপর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেবেন। পাশাপাশি নদী ও খালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
প্রকল্পের কার্যক্রম তদারকি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্য থেকে দুজন এবং জেলা প্রশাসনের দুজন প্রতিনিধিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রকল্পের কাজ ও নদীর পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বারনই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে। নদী খননের পর যাতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বর্জ্য বা অন্য কোনো ময়লা ফেলে আবার ভরাট করা না হয়, সে বিষয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নদীটি তার হারানো রূপ ফিরে পাবে।
"বারনই নদী দীর্ঘদিন ধরে ভরাট ও দূষণের শিকার। নদীর পানি এতটাই দূষিত যে, তা ব্যবহার করলে মানুষের শরীরে ঘা হচ্ছে। এজন্য সরকার নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী ও নাটোর জেলার বারনই নদী, পবা উপজেলা, নওহাটা ব্রিজসংলগ্ন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর (তারিখ), প্রতি ১৫ দিন পরপর পরিদর্শন, ৩ (রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!