📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির সরকারি উদ্যোগ: খাদ্য নিরাপত্তা ও রপ্তানি বাড়াবে কৃষি খাত

২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির সরকারি উদ্যোগ: খাদ্য নিরাপত্তা ও রপ্তানি বাড়াবে কৃষি খাত

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে। এতে ৬০% নারী ও ৪০% পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকার ৬৪ জেলার ২০৮টি উপজেলায় ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ‘পার্টনার’ প্রকল্প চালু করেছে
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় ৬০ শতাংশ নারী ও ৪০ শতাংশ পুরুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 উদ্যোক্তাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং তাদের প্রশিক্ষণ, ইনকিউবেশন সহায়তা ও ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হবে
  • 📌 বর্তমানে ৬ হাজার ৮৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং চলতি বছরে প্রায় ৭ হাজার উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে
  • 📌 আলু, আম, কাঁঠাল, টমেটো ও সুগন্ধি চালের ভ্যালুচেইনভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলা হবে
  • 📌 ৭৬৭টি বিজনেস স্কুল গড়ে তোলা হয়েছে, যার মধ্যে ২২৭টি আলুর বাজারব্যবস্থা ঘিরে গঠিত

📰 বিস্তারিত

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বীজ, নার্সারি, মাশরুম, ভার্মিকম্পোস্ট, পাটজাত ও দুগ্ধজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাতে উদ্যোক্তা তৈরি করা হচ্ছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পার্টনার-ডিএএম অঙ্গের এজেন্সি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বাসসকে বলেছেন, “এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছর প্রায় ৭ হাজার উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা, ব্যবস্থাপনা জ্ঞান এবং বাজারের সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”

প্রশিক্ষণ শেষে উদ্যোক্তাদের কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও ইনকিউবেশন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গৃহভিত্তিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে প্রকল্প থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হবে। বাজারব্যবস্থা উন্নয়নে ৭৬৭টি বিজনেস স্কুল গড়ে তোলা হয়েছে, যার মধ্যে ২২৭টি আলুর বাজারব্যবস্থা ঘিরে গঠিত। চলতি বছর আরও ৩৩৫টি স্কুল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

গাজীপুরের পিরুজালী ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের তামিমা আক্তার ন্যান্সি কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ১২ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে দক্ষতা অর্জন করেছেন। তিনি জ্যাম, জেলি, আচার, কাঁঠাল ও মাছের চিপস তৈরি করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘ন্যান্সি অ্যাগ্রো অ্যান্ড ফুড’-এ বর্তমানে চারজন কর্মচারী কাজ করছেন।

"উদ্যোক্তারা নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেন। কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কৃষিকে আধুনিক ও সম্মানজনক পেশায় রূপান্তর করা সম্ভব।"

— প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ৬৪ জেলার ২০৮টি উপজেলা (সারাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বাসসকে, তামিমা আক্তার ন্যান্সি, আবুল কালাম আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার (উদ্যোক্তা), ৬০% (নারী), ৪০% (পুরুষ), ৬ হাজার ৮৭৫ (প্রশিক্ষিত), ৭৬৭ (বিজনেস স্কুল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖