📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পূজা ছাড়াই চাল বরাদ্দ ও আনসার মোতায়েনের বিতর্ক: সাত বছরের পুরোনো সভাপতি নাম তালিকায়!

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পূজা ছাড়াই চাল বরাদ্দ ও আনসার মোতায়েনের বিতর্ক: সাত বছরের পুরোনো সভাপতি নাম তালিকায়!

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা না হওয়া সত্ত্বেও সরকারি চাল বরাদ্দ ও আনসার মোতায়েনের বিতর্ক উঠেছে। সাত বছরের পুরোনো সভাপতির নাম তালিকায় থাকায় বরাদ্দের তালিকা প্রণয়নে প্রশ্ন উঠেছে। পূজা না হওয়া মন্দিরের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত না হলেও সরকারি চাল বরাদ্দ ও আনসার সদস্য মোতায়েনের বিতর্ক উঠেছে। পূজা না হওয়া মন্দিরের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, পূজা আয়োজন করেও সরকারি বরাদ্দ পাননি এমন মণ্ডপও রয়েছে। সাত বছরের পুরোনো সভাপতির নাম তালিকায় থাকায় বরাদ্দের তালিকা প্রণয়নে প্রশ্ন উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৩১৫টি মন্দিরের মধ্যে শারদীয় দুর্গাপূজা না হওয়া সত্ত্বেও ২৯টি মন্দিরের নামে সরকারি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 পূজা না হওয়া মন্দিরের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো কোনো মন্দিরের বরাদ্দের চাল উত্তোলনও করা হয়েছে।
  • 📌 সাত বছর আগে সভাপতি পদ ত্যাগ করা ব্যক্তির নাম তালিকায় থাকায় বরাদ্দের তালিকা প্রণয়নে প্রশ্ন উঠেছে।
  • 📌 পূজা না হওয়া মন্দিরে আনসার সদস্য মোতায়েনের কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
  • 📌 উপজেলা আনসার কর্মকর্তা জানান, ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২৯টি মণ্ডপের পক্ষ থেকে বরাদ্দ সংগ্রহ করতে কেউ আসেননি।

📰 বিস্তারিত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত না হলেও সরকারি চাল বরাদ্দ ও আনসার সদস্য মোতায়েনের বিতর্ক উঠেছে। পূজা না হওয়া মন্দিরের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পূজা আয়োজন করেও সরকারি বরাদ্দ পাননি এমন মণ্ডপও রয়েছে। সাত বছরের পুরোনো সভাপতির নাম তালিকায় থাকায় বরাদ্দের তালিকা প্রণয়নে প্রশ্ন উঠেছে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উপজেলার কয়েকটি মন্দিরে এ বছর শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়নি। এর মধ্যে কয়েকটির নামে সরকারি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো মন্দিরের বরাদ্দের চাল উত্তোলনও করা হয়েছে। পূজা না হওয়া মন্দিরের নামে বরাদ্দ কেন দেওয়া হয়েছে, উত্তোলন করা চাল কোথায় ব্যবহার হয়েছে এবং তালিকা তৈরির আগে যথাযথ যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলার পূর্ব তারাশী পান্ডেবাড়ি সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপের সভাপতি সত্য পান্ডে বলেছেন, তাদের মণ্ডপে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন করা হলেও তারা সরকারি বরাদ্দ পাননি। অন্যদিকে, কোটালীপাড়া পৌরসভার শুভঙ্কর দত্তের বাড়ি সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে এবার পূজা হয়নি। মন্দিরটির সভাপতি শুভঙ্কর দত্ত বলেছেন, “আমার বাড়ির মণ্ডপে এ বছর দুর্গাপূজা হচ্ছে না। অথচ জানতে পেরেছি, মন্দিরের নামে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কীভাবে তালিকায় নাম এসেছে, তা জানি না। বরাদ্দ তুলতেও যাইনি।”

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কলাবাড়ি, সাদুল্লাপুর ও বান্ধাবাড়ী ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার কয়েকটি মণ্ডপে এবার দুর্গাপূজার আয়োজন না হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। কলাবাড়ি মধুবাড়ির বাড়ি সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপে গিয়ে পূজার কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি। তবে সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন ছয়জন আনসার সদস্য। পূজার আয়োজন না থাকলেও কেন সেখানে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, জানতে চাইলে আনসার দলের টিম লিডার কমলেশ রায় বলেছেন, “সরকারিভাবে আমাদের এখানে ডিউটি দেওয়া হয়েছে। এখন এখানে পূজা না হলে আমাদের কী করার আছে?”

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেছেন, পূজামণ্ডপে আনসার সদস্য মোতায়েনের জন্য থানা থেকে তালিকা দেওয়া হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী সদস্যদের দায়িত্বে পাঠানো হয়। তবে পূজা না হওয়া মণ্ডপের নাম ওই তালিকায় কীভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

"সাত বছর আগে ওই মন্দিরের সভাপতি ছিলাম। এখনো সভাপতি হিসেবে তালিকায় আমার নাম কেন, বুঝতে পারছি না। এখানে চৈত্র মাসে বাসন্তী পূজা হয়। বরাদ্দের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।"

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি বরাদ্দের তালিকায় সভাপতির পরিচয় নিয়েও অসংগতি পাওয়া গেছে। কালীগঞ্জ বাজার সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দিরের সভাপতি হিসেবে তালিকায় রয়েছে শরৎ চন্দ্র বালার নাম। তার ভাতিজা নিহার জানান, তাদের মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা হয় না। সেখানে চৈত্র মাসে বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনসার আলী জানান, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা থেকে ৩১৫টি মন্দিরের নাম দুর্গাপূজার অনুদানের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২৯টি মণ্ডপের পক্ষ থেকে বরাদ্দ সংগ্রহ করতে কেউ আসেননি। তিনি আরও জানান, পরবর্তী সময়ে আরও আটটি মন্দিরের তালিকা পাওয়া যায়। সেগুলোর জন্যও বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। তবে ওই মন্দিরগুলোর বিপরীতে বরাদ্দ অনুমোদন না হলেও অনুদান হিসেবে কিছু টাকা পাওয়ার কথা রয়েছে বলে তিনি জানান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সত্য পান্ডে, শুভঙ্কর দত্ত, শরৎ চন্দ্র বালা, সোহেল রানা, আনসার আলী, কমলেশ রায়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১৫টি মন্দির, ২৯টি মণ্ডপ, ১১টি ইউনিয়ন, ১৯ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖