📌 চাপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলমের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। ওসিকে প্রত্যাহার ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে দলটি
চাপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলমকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মাদকবিরোধী উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে বিএনপি ওসির প্রত্যাহারসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোমস্তাপুর থানার ওসি নূরে আলমের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণের অভিযোগ বিএনপির
- 📌 বিএনপির দাবি: কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ
- 📌 বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা, যিনি ওসির প্রত্যাহারের দাবি জানান
- 📌 ওসি নূরে আলম দাবি করেন, বৈঠকে যুবলীগ নেতার পদ-পদবি তার জানা ছিল না
- 📌 বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোমস্তাপুর বাজারে সদর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতারা ওসি নূরে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন। গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মার্জুক আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ওসি নূরে আলম কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বিএনপি নেতারা আরও অভিযোগ করেন, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। তারা বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এমনকি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি গোমস্তাপুর উপজেলার নুহু স্ট্যান্ডে আয়োজিত একটি মাদকবিরোধী উঠান বৈঠকে ওসি নূরে আলমের পাশে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হুমায়ুন রেজা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জামাল চেয়ারম্যানের ভাতিজা এবং উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস মধুকে বসে থাকতে দেখা যায়।
এ ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএনপি নেতারা। একই সঙ্গে ওসি নূরে আলমকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
"মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী উঠান বৈঠকে চেয়ার ফাঁকা থাকায় জান্নাতুল ফেরদৌস মধুকে সেখানে বসানো হয়েছিল। সেখানে অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে যুবলীগ নেতা মধুর পদ-পদবি আমার জানা ছিল না।"
তবে বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোমস্তাপুর থানার ওসি নূরে আলম। তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পদ-পদবিতে থাকা নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়মিতভাবে নেওয়া হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোমস্তাপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি নূরে আলম, মার্জুক আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ আগস্ট, সাড়ে ১১টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!