📌 গোদাগাড়ীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও অফিসে তালা ঝুলিয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এনসিপি, জামায়াত ও বিএনপির ৭ জন নেতা-কর্মীসহ ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ রয়েছে অফিসে মব করা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালা দিয়ে ভোগান্তি দেওয়া
গোদাগাড়ীতে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে মব করে তালা ঝোলানোর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে। মামলায় এনসিপি, জামায়াত ও বিএনপির ৭ জন নেতা-কর্মীসহ ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে গোদাগাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করেন ইউএনও কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোদাগাড়ী ইউএনও অফিসে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগে মামলা দায়ের
- 📌 আসামিরা: এনসিপি সদস্যসচিব আতিকুর রহমান, জামায়াতের হেলাল উদ্দিন, বিএনপির আবদুল হামিদ বাবলুসহ ৭ জন নেতা-কর্মী + ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা
- 📌 মামলায় অভিযোগ: অফিসের সামনে মব করা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রার্থীদের তালা দিয়ে ভোগান্তি দেওয়া
- 📌 মামলা দায়ের: গতকাল সোমবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে গোদাগাড়ী থানায়
- 📌 গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে: এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি
📰 বিস্তারিত
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন মিয়া জানান, মামলাটি রাত সাড়ে ১০টায় রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা ইউএনও কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রার্থীদের তালা দিয়ে ভোগান্তি দেওয়া হয়েছিল।’
গতকাল বেলা ১১টায় এনসিপি, জামায়াত ও বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী গোদাগাড়ী ইউএনও কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। তারা সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের সময় অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেন। ইউএনও ইসরাত জাহান বলেন, ‘মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, অফিসের সামনে মব করা হয়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাপ্রার্থীদের তালা দিয়ে ভোগান্তি দেওয়া হয়েছে।’
সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, পার্থ সারথী হালদারসহ কিছু ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে প্রতিষ্ঠানটির অর্থ আত্মসাৎ করছিলেন। তারা কোম্পানির মালিকের স্বাক্ষরযুক্ত খালি চেকের প্রাপকের নাম পরিবর্তন করে ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে টাকা স্থানান্তর করতেন। এছাড়া গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
"রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোদাগাড়ী, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি সুজন মিয়া, কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন, ইউএনও ইসরাত জাহান, আতিকুর রহমান, হেলাল উদ্দিন, আবদুল হামিদ বাবলু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন পরিচিত আসামি + ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা, রাত ১০টা ৩০ মিনিট, বেলা ১১টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!