📌 ঢাকার জিনজিরায় অবস্থিত ঘসেটি বেগমের বন্দিশালা পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে পরিচিত। অযত্ন ও দখল-অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে এই স্থাপনার শেষ অবশিষ্ট প্রবেশদ্বার। সারাবাংলার ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান এই স্থাপনাটি ঘুরে ছবি তুলেছেন।
ঢাকার জিনজিরায় অবস্থিত পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন ঘসেটি বেগমের বন্দিশালা ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। বাংলার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাথে জড়িত এই স্থাপনাটি নবাব আলীবর্দী খানের জ্যেষ্ঠ কন্যা এবং নবাব সিরাজউদ্দৌলার খালা ঘসেটি বেগমকে পলাশীর যুদ্ধের পর এখানে বন্দি রাখা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পলাশীর যুদ্ধের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলার খালা ঘসেটি বেগমকে এই জিনজিরার স্থাপনায় বন্দি রাখা হয়েছিল
- 📌 সময়ের সাক্ষী এই বন্দিশালার মূল কাঠামো হারিয়ে গেছে, বর্তমানে শুধু প্রবেশদ্বার দাঁড়িয়ে আছে
- 📌 অযত্ন ও লতাপাতায় ঢেকে যাওয়া প্রবেশদ্বারটি ক্রমেই হারাচ্ছে তার পরিচিতি
- 📌 সারাবাংলার সিনিয়র ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান এই স্থাপনাটি ঘুরে ছবি তুলেছেন
📰 বিস্তারিত
ঢাকার জিনজিরায় অবস্থিত এই বন্দিশালা বাংলার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাথে জড়িত। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, পলাশীর যুদ্ধের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলার খালা ঘসেটি বেগমকে এখানে বন্দি রাখা হয়েছিল। কালের পরিক্রমায় মূল কাঠামো হারিয়ে গেলেও, বর্তমানে শুধু বিশাল একটি প্রবেশদ্বার দাঁড়িয়ে আছে।
অযত্ন ও দখল-অবহেলার কারণে এই প্রবেশদ্বারটি ক্রমেই জরাজীর্ণ হয়ে পড়ছে। লতাপাতা ও আগাছায় ঢেকে যাওয়া প্রবেশদ্বারটি হারাচ্ছে তার ঐতিহাসিক পরিচিতি। সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এই স্মৃতিচিহ্নকে ক্রমেই অদৃশ্য করে দিচ্ছে।
সাম্প্রতিককালে ঢাকার জিনজিরায় অবস্থিত এই বন্দিশালাটি সারাবাংলার সিনিয়র ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান ঘুরে ছবি তুলেছেন। এই ছবিগুলো ঐতিহাসিক স্থাপনার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি সত্যিকারের প্রতিবেদন প্রদান করছে।
"ঢাকার জিনজিরায় অবস্থিত এই বন্দিশালা বাংলার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাথে জড়িত। কালের পরিক্রমায় হারিয়ে যাচ্ছে এই স্মৃতিচিহ্নের শেষ অবশিষ্ট চিহ্ন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার জিনজিরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঘসেটি বেগম, হাবিবুর রহমান, নবাব আলীবর্দী খান, নবাব সিরাজউদ্দৌলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (প্রবেশদ্বার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!