📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০২ বছরের ঐতিহ্য: ঘিওরে বিজয়া দশমীর মেলায় ধর্ম-বর্ণের সীমানা ভুলে মিলনমেলা

২০২ বছরের ঐতিহ্য: ঘিওরে বিজয়া দশমীর মেলায় ধর্ম-বর্ণের সীমানা ভুলে মিলনমেলা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের ঘিওরে ২০২ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিজয়া দশমীর মেলায় ধর্ম-বর্ণের সীমানা ভুলে হাজারো মানুষ মিলিত হয়েছে। মেলায় ৩০০টি দোকান, প্রতিমা বিসর্জন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃশ্য দেখা গেছে

মানিকগঞ্জের ঘিওরে ২০২ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিজয়া দশমীর মেলায় ধর্ম-বর্ণের সীমানা ভুলে হাজারো মানুষ একত্রিত হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া এই মেলায় প্রতিমা বিসর্জন, উলুধ্বনি, মিষ্টির ঘ্রাণ এবং মানুষের কোলাহল মিলে একটি সম্প্রীতির অনন্য আয়োজন গড়ে উঠেছে। মেলা বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল পর্যন্ত চলবে এবং ঘিওর ডি.এন. পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঘিওরে ২০২ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিজয়া দশমীর মেলায় ধর্ম-বর্ণের সীমানা ভুলে হাজারো মানুষ মিলিত হয়েছে
  • 📌 মেলায় প্রায় ৩০০টি দোকান বসানো হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে কেনাকাটা করছে
  • 📌 প্রতিমা বিসর্জনের আগে ভক্তদের চোখে জল, উলুধ্বনি এবং আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছে
  • 📌 মেলায় অংশগ্রহণকারী পূজা সাহা ও জয়া সাহা বলেছেন, শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই মেলায়
  • 📌 মিষ্টি বিক্রেতা অজিত কুমার ঘোষ ৩৫ বছর ধরে মেলায় দোকান চালাচ্ছেন এবং এবার ৭০ হাজার টাকার মিষ্টি বিক্রি করেছেন
  • 📌 ঘিওর উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুব্রত কুমার শীল গোবিন্দ বলেছেন, মেলাটি ২০২ বছরের ঐতিহ্য বহন করছে
  • 📌 স্থানীয় নেতা-কর্মীরা স্বেচ্ছায় নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সহযোগিতা করেছেন
  • 📌 ঘিওর থানার ওসি মোহাম্মদ মহব্বত কবির বলেছেন, মেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

📰 বিস্তারিত

মানিকগঞ্জের ঘিওরে বিজয়া দশমীর মেলা ধর্ম-বর্ণের সীমানা ভুলে মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। এই মেলায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ থেকে দুর্গাপ্রতিমা নিয়ে আসা হয়েছে এবং ধলেশ্বরী নদীর তীরে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের আগে দর্শনার্থীরা শেষবারের মতো প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন। ঢাকের শব্দ, উলুধ্বনি এবং ভক্তদের চোখের জল এই মেলার আবেগঘন পরিবেশকে আরো গভীর করেছে।

মেলায় প্রায় ৩০০টি দোকান বসানো হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেমিশে কেনাকাটা করছেন। পূজা সাহা ও জয়া সাহা বলেছেন, তাঁরা শৈশব থেকেই এই মেলায় আসছেন। বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, কেনাকাটা এবং বিসর্জনের আগে প্রতিমা দেখা তাঁদের কাছে বিশেষ আনন্দের। মিষ্টি বিক্রেতা অজিত কুমার ঘোষ বলেছেন, তিনি বাবার সঙ্গে মেলায় মিষ্টি বিক্রি করতেন। বাবার মৃত্যুর পরও তিনি সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন এবং প্রায় ৩৫ বছর ধরে মেলায় দোকান দিচ্ছেন। এবার তিনি রসগোল্লা ও জিলাপি বিক্রি করেছেন প্রায় ৭০ হাজার টাকার।

ঘিওর উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুব্রত কুমার শীল গোবিন্দ বলেছেন, এই মেলা প্রায় ২০২ বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। তিনি আরও বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে মেলাটি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মিলনস্থল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। পরিষদের আহ্বায়ক শচীন্দ্রনাথ মিত্র বলেছেন, সব ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ মেলাটিকে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের প্রতীকে পরিণত করেছে।

"এ মেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই এখানে মিলেমিশে আনন্দ করেন।"

ঘিওর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহিদুল ইসলাম টুটুল বলেছেন, সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মেলায় অংশ নেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্যের কারণে এ আয়োজনের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ঘিওর থানার ওসি মোহাম্মদ মহব্বত কবির বলেছেন, মেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেছে। ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিতা তূল ইসলাম বলেছেন, এ ধরনের আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি জোরদার করে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঘিওর উপজেলা, মানিকগঞ্জ; ধলেশ্বরী নদীর তীর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুব্রত কুমার শীল গোবিন্দ, শচীন্দ্রনাথ মিত্র, অজিত কুমার ঘোষ, পূজা সাহা, জয়া সাহা, আহিদুল ইসলাম টুটুল, মোহাম্মদ মহব্বত কবির, নাশিতা তূল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২ বছর (মেলার ঐতিহ্য), ৩০০টি দোকান, ৩৫ বছর (অজিত কুমার ঘোষের মেলায় দোকান), ৭০ হাজার টাকা (মিষ্টি বিক্রি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖