📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঘাঘট নদীর ক্ষিপ্র প্রবাহে রংপুর-গাইবান্ধা শহর কতদিন ধরে নিরাপদ? পানি উন্নয়ন বোর্ডের অজ্ঞতা কি শহরবাসীদের সর্বনাশের কারণ হতে পারে?

ঘাঘট নদীর ক্ষিপ্র প্রবাহে রংপুর-গাইবান্ধা শহর কতদিন ধরে নিরাপদ? পানি উন্নয়ন বোর্ডের অজ্ঞতা কি শহরবাসীদের সর্বনাশের কারণ হতে পারে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদীসংশ্লিষ্ট অজ্ঞতা ও অবহেলা থেকে রংপুর ও গাইবান্ধা শহরকে ভয়াবহ বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। ঘাঘট নদীর শাখানদীগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা আগামী বর্ষায় শহরবাসীদের জীবন ও সম্পদকে বিপদে ফেলতে পারে

রংপুর ও গাইবান্ধা শহরকে ঘিরে ঘাঘট নদীর ক্ষিপ্র প্রবাহের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে কোনো সতর্কতা বা রক্ষণাবেক্ষণ প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলা ও নদীসংশ্লিষ্ট অজ্ঞতা থেকে শহরবাসীদের জীবন ও সম্পদকে বিপদে ফেলতে পারে। এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঘাঘট নদীর শাখানদীগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা আগামী বর্ষায় শহরবাসীদের জীবন ও সম্পদকে বিপদে ফেলতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ঘাঘট নদীর শাখানদীগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে** — পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার আলসিয়াপাড়া গ্রামে তিস্তা থেকে ঘাঘটকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, যা আগামী বর্ষায় শহরবাসীদের জীবন ও সম্পদকে বিপদে ফেলতে পারে।
  • 📌 **দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই নদীগুলো ভরাট করা হয়** — ধরলা নদীর শাখানদী পাঁচগাছির ছড়া ও খলিসাকুড়ি ১৯৭১ সালের পরপরই ভরাট করে সড়ক নির্মাণ করা হয়, যা বন্যার সময় নদী সৃষ্টি করে বিপদ সৃষ্টি করে।
  • 📌 **২০১৭ সালের বন্যায় নদীগুলো আবার সচল হয়** — কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর শাখানদী পাঁচগাছির ছড়া ও খলিসাকুড়ি আবার সচল হয়, কিন্তু সরকারের পক্ষে সেখানে সেতু বা রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।
  • 📌 **২০১৮ সালে তিস্তা নদীর প্রবাহপথ পরিবর্তন** — রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বিনবিনারচর থেকে সিরাজুল মার্কেট পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার নদী ভাঙে, যা বাড়ি, সেতু ও গাছগাছালি ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
  • 📌 **রংপুর শহর ও ক্যান্টনমেন্টের বিপদ** — যদি ঘাঘট নদীর প্রবাহ সচল হয়, তাহলে রংপুর শহর ও ক্যান্টনমেন্টসহ অসংখ্য বাড়িঘর ও জীবন বিপদে পড়তে পারে।
  • 📌 **পানি উন্নয়ন বোর্ডের অজ্ঞতা** — রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহান বলেছেন, টেকটোনিক প্লেটের গঠন সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি।
  • 📌 **ঘাঘট নদীর খনন কাজের অজ্ঞতা** — বছর পাঁচেক আগে ঘাঘট নদের প্রয়োজনীয় অংশ খননের কাজ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড, কিন্তু সম্পূর্ণ ঘাঘট খননের কোনো প্রয়োজন ছিল না।

📰 বিস্তারিত

আদি রংপুর শহর মাহিগঞ্জ গড়ে উঠেছিল ইছামতী নদীর তীরে। বর্তমান রংপুর শহর ঘাঘট নদের তীরে গড়ে উঠেছে। অতীতে ঘাঘট নদী ছিল একটি বড় নদী, কিন্তু কালক্রমে এটি তিস্তার শাখানদ হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা নদীর পাড় সুরক্ষার নামে উৎসমুখে বাঁধ দিয়ে ঘাঘটকে তিস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ধরলা নদীর শাখানদী পাঁচগাছির ছড়া ভরাট করে সড়ক নির্মাণ করা হয়। এক শ্রমিকের ভাষ্য অনুযায়ী, পাঁচগাছির ছড়ায় প্রবল স্রোতে ছিল। শ্রমিকরা মাটি ফেলতেন, কিন্তু স্রোত মাটি চলে যেত। পরে বস্তায় ভরে মাটি ফেলে নদীটি মেরে সড়ক তৈরি করা হয়। এই ঘটনা দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ঘটে। ৪৫ বছর পর ২০১৭ সালে কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর শাখানদী পাঁচগাছির ছড়া আবার সচল হয়। সরকারের পক্ষে সেখানে সেতু করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু নদীর প্রবাহ বন্ধ হওয়ার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি।

২০১৮ সালে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় মহিপুর তিস্তা সেতুর প্রায় তিন কিলোমিটার উজানে বিনবিনারচর থেকে সিরাজুল মার্কেটের পাশ দিয়ে প্রায় ১৬ কিলোমিটার নদী ভাঙে। পানির প্রবল স্রোতে বাড়ি, সেতু, গাছগাছালি সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, ঘাঘট নদীর প্রবাহ সচল হলে রংপুর ও গাইবান্ধা শহর কত বিপদে পড়তে পারে।

"আমি সেই স্থান দেখতে গিয়েছিলাম। নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শৈলমারী ইউনিয়নের আলসিয়াপাড়া গ্রামে তিস্তা থেকে ঘাঘটকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী (জলঢাকা উপজেলা), কুড়িগ্রাম, গঙ্গাচড়া উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্রমিক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী, অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ কিলোমিটার (ধরলা নদীর প্রবাহ), ৪৫ বছর (পাঁচগাছির ছড়া ভরাট হওয়ার পর), ১৬ কিলোমিটার (বিনবিনারচর থেকে সিরাজুল মার্কেট পর্যন্ত নদী ভাঙা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖