📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরের কারাগারে দুই দশকের পুরোনো হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে অব্যবহৃত সরঞ্জাম

গাজীপুরের কারাগারে দুই দশকের পুরোনো হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে অব্যবহৃত সরঞ্জাম

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর ২০০ শয্যার হাসপাতালটি দুই দশকেও চালু হয়নি চিকিৎসক সংকটে। প্রায় ৮ কোটি টাকার সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলেও গুরুতর অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জন্য নির্মিত ২০০ শয্যার হাসপাতালটি দুই দশকেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা যায়নি চিকিৎসক সংকটের কারণে। ফলে গুরুতর অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসা দিতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জন্য নির্মিত ২০০ শয্যার হাসপাতালটি দুই দশকেও চালু হয়নি চিকিৎসক সংকটে
  • 📌 হাসপাতালটির জন্য প্রায় ৮ কোটি ৭৪ লাখ ২৯ হাজার ৪০১ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হলেও তা অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে
  • 📌 গুরুতর অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসা দিতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হচ্ছে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে
  • 📌 কাশিমপুর কারাগার-২-এ প্রায় ৫ হাজার ৪০০ বন্দী রয়েছেন
  • 📌 জেলার সিভিল সার্জন মামুনুর রহমান জানান, চারজন চিকিৎসা কর্মকর্তাকে প্রেষণে কারা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জন্য নির্মিত ২০০ শয্যার হাসপাতালটি দুই দশকেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা যায়নি চিকিৎসক সংকটের কারণে। হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০৩ সালে এবং শেষ হয় ২০০৫ সালে। তবে জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে গুরুতর অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসা দিতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হচ্ছে।

জেলার সিভিল সার্জন মামুনুর রহমান জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চারজন চিকিৎসা কর্মকর্তাকে প্রেষণে কারা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া একেক সপ্তাহে একেকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চিকিৎসাসেবা দেন। তাঁরা সেখানে বহির্বিভাগে রোগী দেখেন। কারা কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, হাসপাতালটির জন্য তত্ত্বাবধায়ক, দুজন সিনিয়র কনসালট্যান্ট, নয়জন জুনিয়র কনসালট্যান্ট, পাঁচজন আবাসিক চিকিৎসক, নয়জন চিকিৎসা কর্মকর্তা, দুজন সহকারী সার্জন, একজন প্যাথলজিস্ট, দুজন রেডিওলজিস্ট, তিনজন ফার্মাসিস্ট ও ডিপ্লোমা নার্সসহ বিভিন্ন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে এসব পদে স্থায়ী জনবল নিয়োগ করা হয়নি।

কাশিমপুর কারাগার-২-এর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, ২০১১ সাল থেকে এক্স-রে যন্ত্রসহ কিছু সরঞ্জাম এবং ২০১৩ সাল থেকে আলট্রাসাউন্ড মেশিন, কম্পিউটারাইজড রেডিওগ্রাফিসহ বিভিন্ন যন্ত্র বাক্সবন্দী অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় এসব যন্ত্র সচল আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনই কারাগার থেকে রোগী আসেন। তাঁদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। মাসে ৩০ থেকে ৩৫ জন বন্দী রোগী হাসপাতালে আসেন। বন্দীদের জন্য আলাদা প্রিজন ওয়ার্ড না থাকায় গুরুতর অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসা দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

"কারাগারে আটক ব্যক্তিদের সুচিকিৎসা পাওয়ার অধিকার আছে। ২০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের পরও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুনুর রহমান (সিভিল সার্জন), হালিমা খাতুন (জেল সুপার), আমিনুল ইসলাম (হাসপাতাল পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ (শয্যা), ৮ কোটি ৭৪ লাখ ২৯ হাজার ৪০১ টাকা (সরঞ্জামের মূল্য), ১০ কিলোমিটার (দূরত্ব), ৫ হাজার ৪০০ (বন্দী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖