📌 গাজীপুর সাংবাদিক ফোরাম বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। তারা দাবি করেছেন, ১৪ বছরের যানজট ও দুর্ভোগের পর অবকাঠামো ভেঙে ফেললে ১৮ জেলার যাত্রীদের ক্ষতি হবে
গাজীপুর সাংবাদিক ফোরাম বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। ফোরামের সভাপতি ফয়সাল আলম ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক আজ মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে এই দাবি তুলে ধরেছেন। তারা বলেছেন, বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণকাজের কারণে গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার মানুষ ১৪ বছর ধরে যানজট ও যাতায়াতের সমস্যায় ভোগছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর সাংবাদিক ফোরাম বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে
- 📌 ১৪ বছরের যানজট ও দুর্ভোগের পর অবকাঠামো ভেঙে ফেললে ১৮ জেলার যাত্রীদের ক্ষতি হবে
- 📌 প্রকল্প বাতিলের পেছনে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ জড়িত থাকলে তা স্পষ্ট করতে হবে
- 📌 অবকাঠামো ভেঙে নতুন নির্মাণ শুরু হলে গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার যানজট আরও বাড়বে
- 📌 জনগণের অর্থে নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ফেলার আগে ব্যবহারযোগ্যতা ও বিকল্প ব্যবস্থা যাচাই করা জরুরি
📰 বিস্তারিত
গাজীপুর সাংবাদিক ফোরামের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণকাজের কারণে গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার মানুষ ১৪ বছর ধরে যানজট ও যাতায়াতের সমস্যায় ভোগছেন। এত দীর্ঘ সময় দুর্ভোগ পোহানোর পর প্রকল্পটি বাতিল করে নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ফেললে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। ফোরামের নেতারা বলেছেন, এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী ১৮ জেলার মানুষের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্তের পেছনে কী যুক্তি রয়েছে এবং এর পিছনে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ জড়িত কি না, তা স্পষ্ট করা দরকার। যদি প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি, পরিকল্পনাগত ত্রুটি বা অর্থের অপচয় হয়ে থাকে, তবে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে তদন্তের ফল জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। তবে প্রকল্পের কোনো দুর্বলতা থাকলে তা সংশোধনের বিকল্প বিবেচনা না করে হঠাৎ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং নির্মিত অবকাঠামো ভেঙে ফেলা কতটা যৌক্তিক, তার ব্যাখ্যাও প্রয়োজন।
ফোরামের নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, অবকাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হলে সংশ্লিষ্ট সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে। এতে গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি এই সড়ক ব্যবহারকারী ১৮ জেলার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা বলেছেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর মানুষ এমন একটি কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা প্রত্যাশা করে, যা যাতায়াতের সময় কমাবে এবং যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখবে।
"দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর মানুষ এমন একটি কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা প্রত্যাশা করে, যা যাতায়াতের সময় কমাবে এবং যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখবে। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে জনস্বার্থ, আর্থিক দায় ও যোগাযোগব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব যথাযথভাবে বিবেচনা করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর ও উত্তরা এলাকা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়সাল আলম (সভাপতি), রাশেদুল হক (সাধারণ সম্পাদক), গাজীপুর সাংবাদিক ফোরামের নেতারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর (যানজটের সময়কাল), ১৮ জেলা (সড়ক ব্যবহারকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!