📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্যাস সংকটে নাকাল রাজধানীবাসী: বৈদ্যুতিক চুলা ও সিলিন্ডারে ব্যয় বাড়ছে বহুগুণ

গ্যাস সংকটে নাকাল রাজধানীবাসী: বৈদ্যুতিক চুলা ও সিলিন্ডারে ব্যয় বাড়ছে বহুগুণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে নয় বছর ধরে গ্যাস উৎপাদন কমছে। এলএনজি আমদানি শুরু হলেও সরবরাহে ঘাটতি রয়ে গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস না পেয়ে মানুষ বৈদ্যুতিক চুলা ও সিলিন্ডারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাড়ছে ব্যয় আর অসুস্থতাও

দেশে নয় বছর ধরে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ক্রমাগত কমছে। ঘাটতি মেটাতে ২০১৮ সাল থেকে এলএনজি আমদানি শুরু হলেও গ্যাস সরবরাহে এখনও টানাপোড়েন চলছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস না পেয়ে মানুষ বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বৈদ্যুতিক চুলা ও সিলিন্ডারের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বাড়ছে ব্যয় আর অসুস্থতাও।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি সংকট চলছে
  • 📌 গ্যাসের অভাবে মানুষ বৈদ্যুতিক চুলা ও সিলিন্ডার ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন
  • 📌 বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ বিল বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ
  • 📌 গ্যাস সংকটে অস্বাস্থ্যকর পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই
  • 📌 এলএনজি আমদানির পরও সরবরাহে ঘাটতি রয়ে গেছে

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ভাড়াবাড়িতে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকেন আজমল হোসাইন। তাঁর বাসায় আড়াই মাস ধরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শুরুতে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেয়েছেন তিনি। এখন বৈদ্যুতিক চুলা কিনে রান্না করছেন। আজমল জানান, বৈদ্যুতিক চুলার দাম পড়েছে সাত হাজার টাকা। আগে বিদ্যুৎ বিল আসত ১৫০০ টাকা, এখন আসছে ২৮০০ টাকা। গ্যাস না থাকায় পানি ফুটাতে না পারায় তাঁর দুই ছেলে আরসালান ও আহসান অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তিনি বলেন, ‘পানির এটিএম বুথ থেকে খাওয়ার পানি সংগ্রহ করি। এই পানি বিশুদ্ধ কি না সন্দেহ হয়।’

মিরপুরের হাজি মার্কেট এলাকায় থাকেন গৃহিণী আয়েশা সিদ্দিকা। তাঁর বাসায় চার মাস ধরে গ্যাস সরবরাহ নেই। কিছুদিন আগে মধ্যরাতে সামান্য গ্যাস এলেও এখন পুরোপুরি বন্ধ। আয়েশা বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিল বাড়তি। ইন্ডাকশন চুলা জ্বালানোর জন্য বিল আরও বেশি আসে। আগে ১ হাজার টাকা বিল আসত, এখন আসে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।’

রাজধানীর কালশীর শিল্পী খাতুন থাকেন টিনশেড বাসায়। তাঁর পরিবার পালা করে রান্না করতে হয়। বাড়িওয়ালা বৈদ্যুতিক ও লাকড়ির চুলা ব্যবহারের অনুমতি দেন না। শিল্পীর স্বামী রিকশা চালিয়ে উপার্জন করেন। তিনি বলেন, ‘রান্না না হলে বাইরে খেতে হয়। তখন দুই থেকে আড়াই শ টাকা খরচ হয়ে যায়।’

মিরপুর-১২ নম্বরের ব্যাচেলর বাসায় থাকেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শিহাব। তিনি জানান, দেড় মাস ধরে তাঁর বাসায় গ্যাস সরবরাহ নেই। ফলে মাসিক খরচ বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘রান্না হয় না। খালার বিল দিতে হয়। আবার বাইরে থেকে কিনে খেতে হয়। ফলে গ্যাসট্রিকের সমস্যাও বেড়ে গেছে।’

‘সকালে খাওয়াই যায় না।’ — পূর্ব শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা শান্তা রানী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা
  • 👥 ব্যক্তি: আয়েশা সিদ্দিকা, আজমল হোসাইন, শিল্পী খাতুন, মেহেদী হাসান শিহাব
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নয় বছর, চার মাস, সাত হাজার টাকা, ২৫ দিন, ১৫ আগস্ট, ১৯ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖