📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরের ধাঁধার চর: সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের প্রতিবাদ, বিএনপির সাবেক নেতা আবেদন ২৪০ একর জমি দাবি

গাজীপুরের ধাঁধার চর: সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের প্রতিবাদ, বিএনপির সাবেক নেতা আবেদন ২৪০ একর জমি দাবি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের ধাঁধার চরে ৪৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়ছে। বিএনপির সাবেক নেতা কামাল জামান মোল্লা ২৪০ একর জমি দাবি করে আবেদন করেছেন, কিন্তু স্থানীয়রা তাদের জীবিকা ও পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ধাঁধার চরে ৪৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের তরঙ্গ উঠেছে। স্থানীয়দের জীবিকা, কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা জাগ্রত করেছে এই প্রকল্প। বিএনপির সাবেক নেতা ও সাননোভা এনার্জির পরিচালক কামাল জামান মোল্লা ২৩৯ দশমিক ৫৭ একর জমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের ধাঁধার চরে ৪৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য বিএনপির সাবেক নেতা কামাল জামান মোল্লা ২৪০ একর জমি দাবি করেছেন।
  • 📌 স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাদের জীবিকা ও পর্যটন সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
  • 📌 ৩০ একর নদী জমি সহ জমির ৬৩ শতাংশ নাল ও শিকস্তি শ্রেণির ভূমি।
  • 📌 সাননোভা এনার্জি নেদারল্যান্ডস, কোরিয়া ও চীনের সঙ্গে বিনিয়োগ আলোচনা করছে।
  • 📌 স্থানীয়রা বলছেন, এই চর তাদের রুটি-রুজির জোগান দেয় এবং ৫০০ পরিবারের জীবিকা সংরক্ষণ করে।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুর জেলা প্রশাসনের কাছে গত ১৬ আগস্ট সাননোভা এনার্জির পরিচালক কামাল জামান মোল্লা স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানী নীতির আওতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিদ্যুত চাহিদা পূরণ ও টেকসই শক্তি নিশ্চিত করতে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে ৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। প্রকল্পের জন্য নিম্ন তফসিলভুক্ত ২৩৯ দশমিক ৫৭ একর জমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩০ দশমিক ৭০ একর নদী জমি রয়েছে।

স্থানীয়রা ধাঁধার চরকে তাদের জীবিকা কেন্দ্র হিসেবে দেখেন। জাহিদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘এই চর আমাদের রুটি-রুজির জোগান দেয়। এখানে ৩০০ পরিবারের জীবিকা। কৃষি উৎপাদন, গবাদিপশু পালন ও পর্যটনের সম্ভাবনা রয়েছে। পাখির আবাসস্থল হিসেবে এই চর পরিবেশগত গুরুত্ব বহন করে।’ অন্যদিকে জহিরুল হক আঙ্গুর বলেন, ‘সকালে শত শত মানুষ নৌকায় চরে আসে। এখানে ৫০০ পরিবারের জীবিকা। আম, জাম, পেয়ারা, বরইসহ বিভিন্ন ফল ও ধান, গম, আখ উৎপাদিত হয়। কোনোভাবেই এই জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে না।’

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, ‘নদী ও নদীসংলগ্ন ভূমি জনস্বার্থ ও পরিবেশগত গুরুত্ব বহন করে। নদী একটি পাবলিক ট্রাস্ট প্রপার্টি। এর পরিবেশগত ও জনস্বার্থগত বিষয়গুলো বিবেচনা না করে বন্দোবস্ত দেওয়া যাবে না।’

"এই চর আমরা হাতছাড়া হতে দেব না"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধাঁধার চর, কাপাসিয়া উপজেলা, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামাল জামান মোল্লা, জাহিদুল হক ভূঁইয়া, জহিরুল হক আঙ্গুর, মো. মনির হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ মেগাওয়াট (বিদ্যুৎ উৎপাদন), ২৪০ একর (জমি), ৩০০+ পরিবার (জীবিকা), ৫০০ পরিবার (পর্যটন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖