📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধায় দুই নতুন সেতু নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে

গাইবান্ধায় দুই নতুন সেতু নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধা জেলায় দুইটি নতুন সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় দুই বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। ফলে জেলাবাসী পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন

গাইবান্ধা জেলা শহরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নির্মিত নতুন সেতু দুটি নির্মাণ শেষ হলেও গত দুই বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণের অভাবে সেতু দুটি এখনো যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে জেলাবাসী নতুন সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা জেলায় নির্মিত দুটি নতুন সেতু নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে
  • 📌 সেতু দুটির মধ্যে একটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৬ মিটার এবং অপরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ মিটার
  • 📌 নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের শেষ দিকে এবং শেষ হয়েছিল ২০২৪ সালের জুন মাসে
  • 📌 সেতু দুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা
  • 📌 সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় সেতু দুটি ব্যবহার উপযোগী হয়নি

📰 বিস্তারিত

গাইবান্ধা জেলা শহরের যানজট কমাতে এবং পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলোর বিকল্প হিসেবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ দুটি নতুন সেতু নির্মাণ করে। একটি সেতু নির্মিত হয়েছে ঘাঘট নদীর ওপর, যার নাম ‘ঘাঘট-২ সেতু’ এবং যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৬ মিটার। অপর সেতুটি নির্মিত হয়েছে আলাই নদীর ওপর, যার নাম ‘আলাই সেতু’ এবং যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ মিটার।

সেতু দুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের শেষ দিকে এবং শেষ হয়েছিল ২০২৪ সালের জুন মাসে। নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। তবে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় সেতু দুটি এখনো ব্যবহার উপযোগী হয়নি। ফলে জেলাবাসী পুরোনো সরু সেতু ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

গাইবান্ধা জেলা শহরের অটোচালক হুমায়ন মিয়া বলেন, ‘নতুন সেতুর কাজ বন্ধ থাকায় নিউ ব্রিজ রোড এলাকার পুরোনো সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হচ্ছে। বড় কোনো দুর্ঘটনার আগেই নতুন সেতু চালু করা দরকার।’ ট্রাকচালক আশরাফুল আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় শহরের নতুন ব্রিজ ও পুলবন্দি সেতু দুটি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।’

"পুরোনো সেতুগুলো যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। নতুন সেতু চালু করা না হলে মানুষের জীবন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলা শহর, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাইবান্ধা জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি সেতু, ৭৬ মিটার, ৯০ মিটার, ৩০ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖