📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতালে চিকিৎসক ও ওষুধের অভাব: রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছে দীর্ঘদিন

গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতালে চিকিৎসক ও ওষুধের অভাব: রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছে দীর্ঘদিন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতালে দেড় যুগ ধরে অর্ধেক পদ শূন্য। বর্তমানে কোনো চিকিৎসক নেই এবং দুই মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ। রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন

গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবা বন্ধের কারণে রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। হাসপাতালের বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে দেড় যুগ ধরে প্রায় অর্ধেক পদ শূন্য রয়েছে। বর্তমানে কোনো চিকিৎসক নেই এবং দুই মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতালে মোট ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা, বর্তমানে শুধু ৯ জন উপস্থিত
  • 📌 ২০২২ সাল থেকে হাসপাতালে কোনো মেডিকেল অফিসার নেই; ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই থেকে জুনিয়র কনসালট্যান্টের পদও শূন্য
  • 📌 সরকার পতনের পর (৫ আগস্ট ২০২৪) থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে
  • 📌 প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন, কিন্তু চিকিৎসক ও ওষুধের অভাবের কারণে সেবা পাচ্ছেন না
  • 📌 রোগীরা বলছেন, ‘চিকিৎসকও নেই, ওষুধও নেই। আসি-ঘুরি যাই’

📰 বিস্তারিত

গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতালের বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়ে পড়ছে। সিভিল সার্জন অফিসের সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে মোট ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে শুধু ৯ জন উপস্থিত। এর মধ্যে ২০২২ সাল থেকে কোনো মেডিকেল অফিসার নেই। চলতি বছরের ১৯ জুলাই থেকে জুনিয়র কনসালট্যান্টের পদও শূন্য রয়েছে। এছাড়া, সরকার পতনের পর (৫ আগস্ট ২০২৪) থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে।

প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু চিকিৎসক ও ওষুধের অভাবের কারণে রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। রোগীরা বলছেন, ‘এ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছিলাম। জানতে পারলাম এখানে চিকিৎসক নেই। পরীক্ষা করাতে কফ দিয়েছি। এখন যদি আমার যক্ষ্মা রোগ হয়, কাকে দেখাব?’

সরেজমিনে দেখা যায়, কর্মচারীদের মধ্যে কেউ দাপ্তরিক কাজ করছেন, আবার কেউ গল্প করে সময় পার করছেন। বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীরা আসছেন, কিন্তু চিকিৎসক ও ওষুধের অভাবের কারণে সেবা পাচ্ছেন না। গাইবান্ধা সদরের দক্ষিণ ধানড়া গ্রামের বাকী মিয়া বলেন, ‘রোগ হলেই আসতাম। ওষুধ নিয়ে খাইলেই রোগ সারত। এখন আসি আর ঘুরি যাই। চিকিৎসকও নেই, ওষুধও নেই।’

গাইবান্ধা সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি আফরোজা বেগম বলেন, ‘পুরোনো সেই জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে চিকিৎসাসেবা। জনসংখ্যা বাড়ছে। মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে অন্তত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, মেডিকেল অফিসার, কয়েকজন নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ অন্যান্য জনবল থাকা খুবই জরুরি।’

সিভিল সার্জন রফিকুজ্জামান বলেন, ‘একজনকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনিক কিছু কাজ বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কিছু জানায়নি।’

"এ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছিলাম। জানতে পারলাম এখানে চিকিৎসক নেই। পরীক্ষা করাতে কফ দিয়েছি। এখন যদি আমার যক্ষ্মা রোগ হয়, কাকে দেখাব?" — আমিনা বেগম (৫৫), পূর্বপাড়ার রোগী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা যক্ষ্মা হাসপাতাল (বক্ষব্যাধি ক্লিনিক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুজ্জামান (সিভিল সার্জন), আফরোজা বেগম (সভাপতি), আমিনা বেগম (৫৫), বাকী মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন (মোট পদ), ৯ জন (বর্তমান কর্মচারী), ২০-৩০ জন (দৈনিক রোগী), ১৯ জুলাই (জুনিয়র কনসালট্যান্ট পদ শূন্য), ৫ আগস্ট ২০২৪ (বেতন বন্ধ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖