📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধা শহরে ছাপা পত্রিকা পড়ার নেশা: স্মার্টফোনের বদলে পত্রিকাফলকের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন বয়স্ক-কিশোর

গাইবান্ধা শহরে ছাপা পত্রিকা পড়ার নেশা: স্মার্টফোনের বদলে পত্রিকাফলকের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন বয়স্ক-কিশোর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধা শহরে স্মার্টফোন থাকা সত্ত্বেও বয়স্ক ও যুবকরা পত্রিকাফলকের সামনে দাঁড়িয়ে ছাপা পত্রিকা পড়ছেন। পত্রিকাফলক নির্মাণের পিছনে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ব্যক্তিদের উদ্যোগ। পত্রিকা বিক্রির পরিমাণ কমলেও পাঠকদের অভ্যাস এখনো টিকে আছে

গাইবান্ধা শহরে স্মার্টফোনের যুগেও ছাপা পত্রিকা পড়ার নেশা বজায় রেখেছেন বয়স্ক ও যুবকরা। শহরের বিভিন্ন পত্রিকাফলকের সামনে দাঁড়িয়ে তারা মনোযোগ দিয়ে পত্রিকা পড়ছেন। গাইবান্ধা শহরের মহুরীপাড়া কাঠপট্টি এলাকায় গত রোববার দুপুরে এমনই একটি দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে পত্রিকা পড়ছিলেন ব্যবসায়ী সুজন প্রসাদ (৫৫)। তিনি বলেন, ‘ফোনে পত্রিকা পড়লে চোখ ক্লান্ত হয়ে যায় এবং ভালো লেখকদের কলামও সহজে পাওয়া যায় না। তাই ছাপা পত্রিকা পড়ার অভ্যাস আমার নেশায় পরিণত হয়েছে।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা শহরে স্মার্টফোন থাকা সত্ত্বেও পত্রিকাফলকের সামনে দাঁড়িয়ে পত্রিকা পড়ছেন বয়স্ক ও যুবকরা
  • 📌 পত্রিকাফলক নির্মাণের পিছনে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কর্মীর হাত’ ও বীরপ্রতীক এটিএম খালেদ দুলু স্মৃতি সংসদ
  • 📌 ১৯৭৬ সালে নির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আসাদুজ্জামান পত্রিকাফলকটি ৫০ বছর ধরে নাহিদ ফাউন্ডেশন পরিচালনা করছে
  • 📌 পৌরপার্কের বীরপ্রতীক এটিএম খালেদ দুলু পত্রিকাফলকটি ১৯৯২ সালে নির্মিত, যা ৩৪ বছর ধরে চালু রয়েছে
  • 📌 পত্রিকা বিক্রির পরিমাণ কমলেও পাঠকদের পত্রিকা পড়ার অভ্যাস এখনো টিকে আছে

📰 বিস্তারিত

গাইবান্ধা শহরের পশ্চিমপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী সুজন প্রসাদ (৫৫) দাঁড়িয়ে পত্রিকা পড়ছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও পত্রিকা পড়া বন্ধ রাখিনি। ছাপা পত্রিকা পড়ার অভ্যাস আমার নেশায় পরিণত হয়েছে।’ অন্যদিকে, কলেজপাড়া এলাকার মো. মোদাচ্ছেরুজ্জামান (৫৭) অফিসের ব্যস্ততার কারণে বিকেলে পত্রিকাফলকের সামনে পত্রিকা পড়েন। তিনি বলেন, ‘কাজের ব্যস্ততায় অফিসে পত্রিকা পড়ার সুযোগ হয় না, তাই এখানে পড়ি।’

গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্কের ভেতরে অবস্থিত আরেকটি পত্রিকাফলকেও দেখা যায় মানুষের সমাগম। সকালে হাঁটতে বের হয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক পত্রিকা পড়ছেন শাহ আলম (৪৮)। তিনি বলেন, ‘ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসলে ক্রেতাদের চাপে পত্রিকা পড়ার সুযোগ হয় না। তাই সকালে হাঁটাহাঁটির সময় এখানে পত্রিকা পড়ি।’

পৌরপার্কে আসা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের কৃষক হাসান আলী (৬০) ডায়াবেটিসের কারণে ফলকের সামনে পত্রিকা পড়ছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ডায়াবেটিস আছে, তাই পার্কে এসে হাঁটাহাঁটি করি এবং ক্লান্ত হলে পত্রিকা পড়ি।’

পত্রিকাফলক নির্মাণের পিছনে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কর্মীর হাত’। তাদের সহসভাপতি রকিবুল হক চৌধুরী জানান, ‘১৯৭৬ সালে নির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আসাদুজ্জামান পত্রিকাফলকটি ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছিল। এতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন ঢাকার নাহিদ কটন মিলসের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহিদ। ৫০ বছর ধরে নাহিদ ফাউন্ডেশন পত্রিকার বিল ও লাগানোর খরচ বহন করছে।’

পৌরপার্কের বীরপ্রতীক এটিএম খালেদ দুলু পত্রিকাফলকটি ১৯৯২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি নির্মিত। এতে তিন লাখের বেশি টাকা ব্যয় হয়। স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টা মাজেদুর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিন পত্রিকা লাগানোর কাজ করেন স্থানীয় কামরুল নামের ব্যক্তি। তিনি ছেঁড়া টাকা বদল করে সংসার চালান। ২০ বছর ধরে তিনি স্বেচ্ছাশ্রমে পত্রিকা লাগাচ্ছেন।’

"ফোনে পত্রিকা পড়লে চোখ ক্লান্ত হয়ে যায় এবং ভালো লেখকদের কলামও সহজে পাওয়া যায় না। তাই ছাপা পত্রিকা পড়ার অভ্যাস আমার নেশায় পরিণত হয়েছে।"
"কাজের ব্যস্ততায় অফিসে পত্রিকা পড়ার সুযোগ হয় না, তাই এখানে পড়ি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা শহর (মহুরীপাড়া কাঠপট্টি, পৌরপার্ক, পশ্চিমপাড়া, কলেজপাড়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুজন প্রসাদ (৫৫), মো. মোদাচ্ছেরুজ্জামান (৫৭), শাহ আলম (৪৮), হাসান আলী (৬০), রকিবুল হক চৌধুরী, মাজেদুর রহমান, কামরুল (সৈয়দ নাছির উদ্দিন আহম্মেদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫, ৫৭, ৪৮, ৬০, ৪০-৪২ হাজার টাকা, ৫০ বছর, ২১ ফেব্রুয়ারি, ৩৪ বছর, ২০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖