📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শ্রীপুরে পারিবারিক কলহে অটোরিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, আটক পাঁচজন

শ্রীপুরে পারিবারিক কলহে অটোরিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, আটক পাঁচজন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে অটোরিকশাচালক রুহুল আমিনকে (৩৮) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় তাঁর দুই শিশুকন্যা উপস্থিত থাকলেও ভয়ে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি। পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কুমারভিটা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে অটোরিকশাচালক রুহুল আমিনকে (৩৮) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থলে তাঁকে মারধর করা হলে তাঁর মরদেহ পরদিন দুপুরে ঝোপঝাড় থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পারিবারিক কলহের জেরে রুহুল আমিনকে (৩৮) পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে
  • 📌 ঘটনার সময় তাঁর দুই শিশুকন্যা উপস্থিত থাকলেও ভয়ে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি
  • 📌 নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩৫), শ্বশুর মো. রফিক (৫৫), শ্যালক মো. শাহজাহান (২৭), চাচা শ্বশুর তাজউদ্দীন (৫০) ও তাঁর মেয়ে রিমিকে (১৬) আটক করেছে পুলিশ
  • 📌 নিহত ব্যক্তি ছিলেন অটোরিকশাচালক এবং শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকতেন

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কুমারভিটা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে অটোরিকশাচালক রুহুল আমিনকে (৩৮) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। ঘটনার সময় তাঁর দুই শিশুকন্যা উপস্থিত থাকলেও ভয়ে কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলের কাছের ঝোপঝাড় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রুহুল আমিন একই ইউনিয়নের কায়েতপাড়া গ্রামের মো. আতাহার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন এবং শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকতেন। পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩৫), শ্বশুর মো. রফিক (৫৫), শ্যালক মো. শাহজাহান (২৭), চাচা শ্বশুর তাজউদ্দীন (৫০) ও তাঁর মেয়ে রিমি (১৬) মিলে তাঁকে মারধর করে হত্যা করেন।

নিহতের বড়ভাই লিটন জানান, ঘটনার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁদের জানিয়েছিল যে রুহুল আমিন রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন। তবে তাঁদের ধারণা, ঋণের কিস্তি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, স্থানীয় একটি এনজিও থেকে রুহুল আমিন এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের জামিনদার ছিলেন তাঁর চাচা শ্বশুরের ছেলে। বর্তমানে ১৪ হাজার টাকা কিস্তি বকেয়া ছিল। এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। শিশুকন্যার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের স্ত্রী, শ্বশুর, শ্যালকসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

"আমার স্বামী বাড়িতে ছিলো না। তবুও পুলিশ তাকে ধরে নিয়েছে। সে আমার বাপের বাড়িতে ছিলো। রুহুল আমিনকে কারা মারছে এটা আমি বলতে পারবো না। আমিও বাড়িতে ছিলাম না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের কুমারভিটা গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল আমিন (৩৮), হালিমা খাতুন (৩৫), মো. রফিক (৫৫), মো. শাহজাহান (২৭), তাজউদ্দীন (৫০)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আটক, ৩৮ বছর বয়সী নিহত, ১৬ বছর বয়সী মেয়ে উপস্থিত, ১ লাখ টাকা ঋণ, ১৪ হাজার টাকা বকেয়া কিস্তি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖