📌 যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে খেলাধুলা এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হবে। তিনি তরুণদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও জানান, যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে। সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হবে
- 📌 ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ শুরু করেছে
- 📌 দেশের বিভিন্ন স্থানে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেলে সামাজিক অপরাধ কমবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এফডিসিতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার যুবসমাজকে কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডিগ্রিধারী যুবকরা যাতে বেকার হয়ে ঘরে বসে না থাকে, তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত সতেরো বছরে দক্ষতা বৃদ্ধির নামে দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বিগত সরকার গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছিল এবং বর্তমান সরকার দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে।
"গত সতেরো বছরে দক্ষতা বৃদ্ধির নামে দুর্নীতির আখড়া তৈরি করে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার করা হয়েছিল। দুর্নীতির কারণেই ফ্যাসিস্ট উপাধি পেয়েছে আওয়ামী সরকার। বিগত আমলে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে। বিগত সরকার যেসব ভুল করেছে বর্তমান সরকার সেই ভুল করবে না।"
‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, শোভন কাজ, মর্যাদাপূর্ণ জীবন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও টেকসই ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত শাসনামলে চাকুরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হয়নি। ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: এফডিসি, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমিনুল হক, হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪র্থ শ্রেণি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি, ৮০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!