📌 ফেনী পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার ঘোষণা করেছেন, পূজায় মদ খেয়ে নাচানাচি করলে পুলিশ ঘাড় ধরে নিয়ে আসবে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা বলেছেন
ফেনী জেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতিমূলক সভায় পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার কঠোর সতর্কবাণী জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, পূজা চলাকালে মদ খেয়ে নাচানাচি করলে পুলিশ ঘাড় ধরে নিয়ে আসবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেনী পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার ঘোষণা করেছেন: পূজায় মদ খেয়ে নাচানাচি করলে পুলিশ ঘাড় ধরে নিয়ে আসবে এবং মেডিকেল টিমের কাছে ওয়াশ করিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 ফেনী জেলায় এই বছর ১৫৩টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হচ্ছে — গতবারের তুলনায় তিনটি বেশি।
- 📌 পুলিশ সুপার বলেছেন, ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় মদ ও হুইস্কির প্রাদুর্ভাব বেশি। পুলিশ কঠোর হাতে দমন করবে।
- 📌 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেছেন, পূজায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে।
- 📌 ফেনীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভালো। কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমেছে।
📰 বিস্তারিত
ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গত মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতি সভায় পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেছেন, ফেনী জেলা সীমান্তবর্তী হওয়ায় মদ ও হুইস্কির প্রবল প্রাদুর্ভাব রয়েছে। তিনি জানান, পূজা চলাকালে মদ খেয়ে নাচানাচি করলে পুলিশ কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ ঘাড় ধরে নিয়ে আসবে এবং মেডিকেল টিমের কাছে ওয়াশ করিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুপার বলেন, ‘মদ খেয়ে মাতলামি হয়ে পরিবেশ নষ্ট করা ব্যক্তিদের দেখাদেখি অন্যরাও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ কঠোর হাতে এসব দমন করবে।’ তিনি আরও বলেন, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে শহরকেন্দ্রিক পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, পূজায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। তিনি সতর্ক করেছেন, গুজব বা অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন তা দমন করবে। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার সভাটি সঞ্চালন করেছেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, বিজিবির ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপদেষ্টা হীরালাল চক্রবর্তী এবং জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শান্তি চৌধুরীসহ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।
"তাদের মধ্যে দুই-একজন মদ খেয়ে মাতলামি করে পরিবেশ নষ্ট করে। তাদের দেখাদেখি অন্যরাও এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। এসব পুলিশ কঠোর হাতে দমন করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেনী জেলা, ফেনীর পুলিশ সুপার অফিস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রত্যুষ কুমার মজুমদার (ফেনী পুলিশ সুপার), মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৩টি পূজামণ্ডপ, ১০টি বৈদ্যুতিক মিটার ক্ষতিগ্রস্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!