📌 ফেনীর দাগনভূঞায় সড়ক দুর্ঘটনার খবরে মানসিক আঘাতে বৃদ্ধা খাইরুন নেছার মৃত্যু হয়। পরে তার নাতনি জান্নাতুল ফাহিমকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাটি রবিবার সন্ধ্যায় ঘটে।
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় রবিবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় শোকাহত পরিবারটি অলৌকিকভাবে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় নাতনির মৃত্যুর খবর শুনে মানসিক আঘাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৯০ বছর বয়সী খাইরুন নেছার মৃত্যু হয়। তবে পরে তার নাতনি জান্নাতুল ফাহিমকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেনীর দাগনভূঞায় রবিবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনায় একজন স্কুলছাত্রী নিহত হন
- 📌 নিহতের নাতনি জান্নাতুল ফাহিমও একই বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন
- 📌 দুর্ঘটনার পর নাতনিকে খুঁজে না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যু আশঙ্কা করেন
- 📌 নাতনির মৃত্যুসংবাদ শুনে মানসিক আঘাতে খাইরুন নেছা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন
- 📌 পরে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায় জান্নাতুল ফাহিমকে
📰 বিস্তারিত
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার উত্তর আলামপুর গ্রামে রবিবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনায় সিলোনীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হন। ঘটনাস্থল ছিল সিলোনীয়া বাজার এলাকা। দুর্ঘটনার পর নিহতের নাতনি জান্নাতুল ফাহিমকে খুঁজে না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যু আশঙ্কা করেন। একপর্যায়ে নাতনির মৃত্যুসংবাদ বাড়িতে পৌঁছালে শোকে ভেঙে পড়েন ৯০ বছর বয়সী দাদি খাইরুন নেছা। তিনি অচেতন হয়ে ঘরে লুটিয়ে পড়েন।
এর কিছুক্ষণ পর জান্নাতুল ফাহিমকে সুস্থ অবস্থায় খুঁজে পান স্বজনরা। তাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই তারা জানতে পারেন, দাদি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত খাইরুন নেছাকে উদ্ধার করে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
"অটোরিকশা চালিয়ে তিনি সংসার চালান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সিলোনীয়া বাজারে গিয়ে নিজের মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে তিনি কান্নাকাটি করে বাড়িতে স্ত্রীকে বিষয়টি জানান। এ খবর শুনে তার মা নাতনির শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মেয়েকে জীবিত অবস্থায় ফিরে পেলেও মাকে হারাতে হয়েছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর আলামপুর গ্রাম, দাগনভূঞা, ফেনী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাইরুন নেছা (৯০), জান্নাতুল ফাহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!