📌 ফতুল্লা মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুতায়িত হয়ে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়,其中 একের মৃত্যু হয়। ১১ বছর বয়সী আতিয়া আক্তার রিমা মৃত্যুবরণ করেন। বাকি চার শিক্ষার্থীর মধ্যে জিদনী ৮২ শতাংশ দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন
ফতুল্লা মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুতায়িত হয়ে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়, যার মধ্যে একজন ১১ বছর বয়সী আতিয়া আক্তার রিমা মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ। তিনি জানান, আতিয়ার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে ওই ঘটনায় দগ্ধ আরও চার শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে জিদনী ৮২ শতাংশ, লামিয়া আক্তার শাপলা ৫৫ শতাংশ, সুমাইয়া আক্তার ১৩ শতাংশ এবং আসিয়া আক্তার আফরোজা ৭ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে। জিদনী আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুতায়িত হয়ে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়, একের মৃত্যু
- 📌 ১১ বছর বয়সী আতিয়া আক্তার রিমা মৃত্যুবরণ করেন, তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান
- 📌 জিদনী ৮২ শতাংশ দগ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন
- 📌 লামিয়া আক্তার শাপলা ৫৫ শতাংশ, সুমাইয়া আক্তার ১৩ শতাংশ, আসিয়া আক্তার আফরোজা ৭ শতাংশ দগ্ধ
- 📌 ঘটনা ঘটে গত শনিবার বিকেল সাড়ে চারটায় মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায়
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার বিকেল সাড়ে চারটায় ফতুল্লার কাশীপুর হাজীপাড়ার ‘মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায়’ পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়। ঘটনার সময় তারা তিনতলা মাদ্রাসা ভবনের ছাদে খেলতে গিয়েছিল। মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, ঘটনার কিছুক্ষণ পর ছাদ থেকে একটি শব্দ শোনা যায়। সেখানে গিয়ে পাঁচ শিক্ষার্থীকে আগুনে ঝলসে যাওয়া অবস্থায় দেখা যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসা ভবনের ছাদের ওপর দিয়ে উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তার রয়েছে জানিয়ে ইউসুফ আলী বলেন, সেখান থেকেই কোনোভাবে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।
দগ্ধ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছিল, ঘটনার দিন বিকেলে তারা খেলতে ছাদে গিয়েছিল। খেলাধুলার সময় হঠাৎ তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে আগুন লেগেছিল, তা তারা বলতে পারেনি। মৃত আতিয়া আক্তার রিমার বাড়ি নাটোর সদর উপজেলায়।
"আতিয়ার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে ওই ঘটনায় দগ্ধ আরও চার শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে জিদনীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।"
— ডা. সুলতান মাহমুদ, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জের মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতিয়া আক্তার রিমা (মৃত), জিদনী (আশঙ্কাজনক অবস্থায়), ডা. সুলতান মাহমুদ, মো. ইউসুফ আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন দগ্ধ শিক্ষার্থী, ১ জন মৃত্যু, ৪ জন চিকিৎসাধীন, ৮২ শতাংশ (জিদনী), ৪৫ শতাংশ (আতিয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!