📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে দুই অংশের পৃথক শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান তারেক রহমান তারেক রহমান
ফরিদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে দুই অংশের পৃথক শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। ফলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই অংশ পৃথকভাবে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করে

ফরিদপুর জেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে মতবিরোধের জেরে দুই অংশ পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেছে। বুধবার দুপুর ও বিকেলে দুই পক্ষ আলাদাভাবে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুর-২ ও ফরিদপুর-৩ আসনের দুই এমপির অনুসারীদের মধ্যে প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়
  • 📌 জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই অংশ পৃথকভাবে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করে
  • 📌 ফরিদপুর সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফের অনুসারীরা দুপুর ১২টায় শোভাযাত্রা শুরু করেন
  • 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের অনুসারীরা বিকেল ৫টায় আলাদা শোভাযাত্রা করেন
  • 📌 দুই অংশের সমাবেশে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শিত হয়

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন জানান, তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শাহরিয়ারকে একসঙ্গে অনুষ্ঠান করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু শাহরিয়ার জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ছাড়া তিনি কোনো অনুষ্ঠান করবেন না। পরে মোজাম্মেল হোসেন প্রস্তাব করেন, নায়াব ইউসুফের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদকে অতিথি করা হোক। তবে প্রতিমন্ত্রী সদর আসনের এমপি না হওয়ায় এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়।

শাহরিয়ার হোসেন জানান, প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে মতবিরোধের কারণে একসঙ্গে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা সদর আসনের এমপিকে নিয়ে প্রোগ্রাম করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা রাজি হননি।’

চৌধুরী নায়াব ইউসুফের অনুসারীরা দুপুর ১২টার দিকে শহরের ব্রহ্মসমাজ সড়কে সমবেত হয়ে শোভাযাত্রা শুরু করেন। শোভাযাত্রাটি ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের মোড়, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে মুজিব সড়ক ধরে জনতা ব্যাংকের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ব্যানারের বাঁ দিকে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসানের ছবি ছিল। ডান দিকে ছিল নায়াব ইউসুফ, তাঁর বাবা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলামের ছবি। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে এম কিবরিয়া।

অন্যদিকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের অনুসারীরা বিকেল পাঁচটার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট স্কুলের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু করেন। শোভাযাত্রাটি মুজিব সড়ক ধরে জেলা কারাগার, ফরিদপুর পৌরসভা, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে জনতা ব্যাংকের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন। এ সময় ছয় নেতার বড় আকৃতির ছবি বহন করা হয়, যার মধ্যে শামা ওবায়েদের ছবিও ছিল। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী।

‘গেস্ট করা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় একসাথে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। প্রধান অতিথি হিসেবে আমাদের এক গেস্ট পছন্দ ছিল, আবার ওদের আরেক গেস্ট পছন্দ ছিল।’ — শাহরিয়ার হোসেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, শামা ওবায়েদ, মোজাম্মেল হোসেন, শাহরিয়ার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি আসনের এমপি, ১২টা ও ৫টা সময়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖