📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরে সামাজিক বিয়ের পর ধর্ষণ মামলায় কারাবন্দি যুবক, ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি সুষ্ঠু তদন্তের

ফরিদপুরে সামাজিক বিয়ের পর ধর্ষণ মামলায় কারাবন্দি যুবক, ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি সুষ্ঠু তদন্তের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের নগরকান্দায় ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিতে বিয়ে হলেও তা অস্বীকার করেছে কনের পরিবার। অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে কারাবন্দি হন রুমন খন্দকার (২০)। ভুক্তভোগীর পরিবার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিতে আয়োজিত বিয়ের পর ধর্ষণের অভিযোগে কারাবন্দি হন রুমন খন্দকার (২০)। ভুক্তভোগী মিলা আক্তার (১৫) ও তাঁর পরিবার দাবি করেছেন, কোনো বিয়ে হয়নি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিতে আয়োজিত বিয়ের পর ধর্ষণের অভিযোগে কারাবন্দি হন রুমন খন্দকার (২০)
  • 📌 ভুক্তভোগী মিলা আক্তার (১৫) ও তাঁর পরিবার দাবি করেছেন, কোনো বিয়ে হয়নি
  • 📌 ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার
  • 📌 মামলার এজাহারে বিয়ের বিষয় উল্লেখ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিতে আয়োজিত বিয়ের পর ধর্ষণের অভিযোগে কারাবন্দি হন রুমন খন্দকার (২০)। ঘটনার পর ভুক্তভোগী মিলা আক্তার (১৫) ও তাঁর পরিবার দাবি করেছেন, কোনো বিয়ে হয়নি। তাঁরা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে চলতি বছরের ২২ মে।

রুমন খন্দকার তালমা ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের বিল্লাল খন্দকারের ছেলে এবং পেশায় কাঠমিস্ত্রি। তাঁকে গত প্রায় দেড় মাস ধরে কারাগারে থাকতে হচ্ছে। ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২২ মে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি অনুযায়ী একই উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামের মিরাজ মাতুব্বরের মেয়ে মিলা আক্তারকে বিয়ে করেন রুমন। সামাজিক অনুষ্ঠান করা হয় দুই পরিবারের পক্ষ থেকেও। বিয়ের আগে কনের বাড়িতেও আয়োজন করা হয়েছিল গায়েহলুদের মতো অনুষ্ঠান। এরপর ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে যাওয়া হয় কনের বাড়িতে। সেখানে খাওয়াদাওয়া শেষে দুই পরিবারের স্বজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিয়ের কার্য সম্পন্ন হয়।

তবে, কনের বয়স কম হওয়ায় নিবন্ধন করা হয়নি এবং দুই পরিবারের সম্মতি ছিল প্রাপ্তবয়স্ক হলে নিবন্ধন করে নেওয়া হবে। পরে কনেকে বিয়ের রঙে সাজিয়ে জমকালো আয়োজনের মধ্যেই নিয়ে যাওয়া হয় বরের বাড়িতে। সেই বিয়ের সামাজিক ও ধর্মীয় রীতির প্রমাণাদি ও অনুষ্ঠানের ভিডিও সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

পরিবারটির ভাষ্যমতে, বিয়ের দুই দিন পর সামাজিক রীতি অনুযায়ী কনের বাড়িতে গেলে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। রুমনের মামা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাগনের সঙ্গে বাসর রাত থেকে ওই মেয়ের মনোমালিন্য হয়। বাসি বিয়েতে গিয়ে ওই মেয়ে আর আসতে চায় না। পরে জানতে পারি অন্য একজনের সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এরপরও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ফিরিয়ে আনা হয়।’

‘কয়েক দিন পর আবারও বাড়িতে ফিরে গেলে আর আসেনি, মেয়েটির পরিবারও আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়নি।’

রুমনের মামা আরও বলেন, ‘এর প্রায় এক মাস পর গত ২ জুলাই গভীর রাতে হঠাৎ রুমনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় নগরকান্দা থানা পুলিশ। পরের দিন থানায় গিয়ে জানতে পারি একটি ধর্ষণ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

এদিকে থানা সূত্রে জানা যায়, ২ জুলাই থানায় ওই মামলাটি করেন জহুরন খাতুন (৫২) নামে এক নারী। তিনি বিয়ে হওয়া কিশোরীর আপন দাদি। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৯ জুন বিকেল ৫টায় বাড়ির পাশ থেকে তাঁর নাতনি মিলাকে একটি মাইক্রোবাসে করে অপহরণ করে নিয়ে যান রুমন। এরপর রুমন খন্দকারদের বাড়িতে রেখে রাতভর ধর্ষণ করা হয় এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করা হয়। পরের দিন সকালে কৌশলে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে পরিবারকে ঘটনাটি খুলে বলে মিলা। পরে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ বলেন, ‘গত ২ জুলাই জহুরন খাতুন তাঁর নাতনিকে নিয়ে থানায় আসেন। তাঁদের কাছে ছিল ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারের চিকিৎসার ছাড়পত্র, যেখানে ধর্ষণের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়।’

তবে ওই এজাহারে বিয়ের বিষয় উল্লেখ করা হয়নি এবং পুলিশকে কখনো জানানোও হয়নি বলে দাবি করেন ওসি। তিনি বলেন, ‘মেয়েটির বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় সরকারিভাবে বিয়ের কোনো সুযোগই নেই। সামাজিক বিয়ে আইনগত স্বতঃসিদ্ধ নয়।’

তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলামকে। তদন্ত শেষে আদালতে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমন খন্দকার (২০), মিলা আক্তার (১৫), জহুরন খাতুন (৫২)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জন বরযাত্রী, ২ জুলাই গ্রেপ্তার, ১৮ বছরের কম বয়স

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖