📌 ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদে মিলাদুন্নবী পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে কাজী শামসুন্নেচ্ছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও তিন দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদে মিলাদুন্নবী পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে কাজী শামসুন্নেচ্ছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও তিন দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা তাঁকে অবিলম্বে অপসারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি চাপ সৃষ্টি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
- 📌 স্থানীয়রা তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে তাঁকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 ভাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে শতাধিক মুসল্লির সমাবেশে অভিযোগ তুলে ধরা হয়
- 📌 প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগও উঠেছে
- 📌 প্রধান শিক্ষক দাবি করেন, তিনি বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষককে এক হাজার টাকা দিয়েছেন মসজিদে তবারক বিতরণের জন্য
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদে মিলাদুন্নবী পালনে ব্যর্থতার অভিযোগে কাজী শামসুন্নেচ্ছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয়রা তাঁকে অবিলম্বে অপসারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন।
গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর ভাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সমাবেশে শতাধিক মুসল্লি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য মিঞা মোহাম্মদ আলমগীর, সাবেক ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এনায়েত মুন্সী, স্থানীয় বাসিন্দা হেমায়েত হোসেন, ছাত্রনেতা আকাশ এবং ভাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাস।
বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেননি। তাঁরা আরও দাবি করেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন এবং অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া তিনি সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগও রয়েছে বলে জানান বক্তারা।
সমাবেশে আরও অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অরুণ চন্দ্র দত্ত এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ভাঙ্গা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শওকত হোসেন বলেন, সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী প্রতিটি বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানাবেন।
প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত দাবি করেন, তিনি বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক জাকির হোসেনকে এক হাজার টাকা দিয়েছেন, যিনি ওই টাকা দিয়ে কোর্ট মসজিদে তবারক বিতরণ করেছেন। অন্যদিকে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মাহামুদুল হাসান জানান, বিষয়টি জানতে পেরে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘সরকারি পরিপত্র আমি প্রতিটি স্কুলে পাঠিয়েছি এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানটি কেন করল না, তা আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত জানাব।’ — ভাঙ্গা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শওকত হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভাঙ্গা, ফরিদপুর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অরুণ চন্দ্র দত্ত (প্রধান শিক্ষক), শওকত হোসেন (একাডেমিক সুপারভাইজার), মাহামুদুল হাসান (নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকারি নির্দেশনা, শতাধিক সমাবেশকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!