📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৬৬ হাজার কর্মী পাবে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ: পাইলট প্রকল্পে ২০৮টি ওয়ার্ডে শুরু হবে তথ্য সংগ্রহ

৬৬ হাজার কর্মী পাবে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ: পাইলট প্রকল্পে ২০৮টি ওয়ার্ডে শুরু হবে তথ্য সংগ্রহ

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ শুরুতে ৬৬ হাজার কর্মী ও ৬ হাজার সুপারভাইজারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পে ২০৮টি ওয়ার্ডে ট্যাব ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। সমাজসেবা অধিদফতর নির্দেশনা জারি করেছে প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির জন্য

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির নির্দেশনা জারি করেছে সমাজসেবা অধিদফতর। প্রথম পর্যায়ে ৫ হাজার ট্যাব ব্যবহার করে দেশের ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজারের প্রশিক্ষণ ও প্রোফাইল যাচাই অনুমোদন করা হয়েছে
  • 📌 সদর দফতরের ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে ৩০ থেকে ৪০টি ভেন্যুতে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে
  • 📌 মাস্টার ট্রেইনাররা নিজ নিজ উপজেলায় সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন
  • 📌 তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে, সিটি করপোরেশন এলাকায় সংসদ সদস্যদের সাথে আলোচনা করে ওয়ার্ড নির্ধারণ করা হবে
  • 📌 অনীহা প্রকাশকারী কর্মীদের বাদ দিয়ে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে

📰 বিস্তারিত

গত ২২ সেপ্টেম্বর সমাজসেবা অধিদফতরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বিভাগীয় পরিচালক, জেলা উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সদর দফতরের মাস্টার ট্রেইনারদের তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের ট্যাব, ড্রেস, সিম সংযোগ ও অ্যাপ ইনস্টলেশনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে এক দিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সদর দফতর থেকে ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের ৩০ থেকে ৪০টি নির্ধারিত ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন। বিভাগীয় পরিচালকদের ব্যবস্থাপনায় এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনার নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে প্রথমে সুপারভাইজারদের দুই দিনের এবং পরে তথ্য সংগ্রহকারীদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন।

মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে যাওয়ার আগে প্রত্যেক তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। সমাজসেবা কর্মকর্তার সঙ্কট থাকলে স্থানীয় অন্যান্য দফতরের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদেরও মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা কর্মকর্তা, আইসিটি কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

"কোন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাজ শুরু হবে, তা সংশ্লিষ্ট জেলা উপপরিচালক স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে সভামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করবেন। সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে আলোচনা করে যেকোনো একটি ওয়ার্ড নির্ধারণ করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ড (পাইলট প্রকল্প), সিটি করপোরেশন এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সমাজসেবা অধিদফতরের বিভাগীয় পরিচালক, জেলা উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, মাস্টার ট্রেইনার, প্রশিক্ষক, সংসদ সদস্য
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী, ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজার, ২০৮টি ওয়ার্ড, ৫ হাজার ট্যাব, ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক, ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖