📌 কুষ্টিয়ার আখড়াবাড়িতে ফকির লালন শাহর ১৩৬তম তিরোধান দিবসের শেষ দিনের অনুষ্ঠানে বোমা সন্দেহে এলাকাটি জনশূন্য হয়ে পড়ে। বোমা নিষ্ক্রিয় করার পরও সাধু-ফকিরেরা নির্ধারিত সময়ের আগেই ছেড়ে চলে যায়
ফকির লালন শাহর ১৩৬তম তিরোধান দিবসের শেষ দিনের অনুষ্ঠান আখড়াবাড়িতে বোমা সন্দেহে জনশূন্য হয়ে পড়ে। বোমা নিষ্ক্রিয় করার পরও সাধু-ফকিরদের উৎকণ্ঠায় অনুষ্ঠানটি অর্ধেক সময়েই শেষ হয়ে যায়। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় তিন দিনের অনুষ্ঠানের শেষ দিন সোমবার সকালেই জনশূন্য হয়ে পড়ে আখড়াবাড়ি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আখড়াবাড়িতে রাত দেড়টার দিকে সাদা ব্যাগে বোমা সন্দেহে পুলিশ কর্ডন জারি করে
- 📌 ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এসে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে, কিন্তু সাধু-ফকিরেরা নির্ধারিত সময়ের আগেই ছেড়ে যায়
- 📌 বোমা উদ্ধারের ঘটনায় কুমারখালী থানা পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে, আসামি অজ্ঞাত
- 📌 সমাপনী আলোচনা সভা দুই ঘণ্টা আগে শেষ হয়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
- 📌 ঘটনাস্থলে ২০ হাতের মধ্যে পুলিশের ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য নিয়মিত তদারকি করছিলেন
📰 বিস্তারিত
ফকির লালন শাহর তিরোধান দিবসের শেষ দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় গত শনিবার কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার আখড়াবাড়িতে। গত রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আখড়াবাড়ির ভেতরে একটি সাদা ব্যাগে বোমা থাকার খবর পেয়ে এলাকাটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বোমাটি ছিল টাইমবোমা। সকালে ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এসে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে। তবে বোমা সন্দেহের কারণে সাধু-ফকিরদের উৎকণ্ঠায় অনুষ্ঠানটি অর্ধেক সময়েই শেষ হয়ে যায়।
বোমা সন্দেহের ঘটনায় আখড়াবাড়ির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবির দুই প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়। ঘটনাস্থলে ২০ হাতের মধ্যে পুলিশের ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য নিয়মিত বসে থাকতেন। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় কুমারখালী থানা পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। তবে আসামি অজ্ঞাত। পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করছে।
বোমা সন্দেহে সাধু-ফকিরেরা নির্ধারিত সময়ের আগেই আখড়াবাড়ি ছেড়ে চলে যায়। সমাপনী আলোচনা সভা হওয়ার কথা ছিল সন্ধা ছয়টায়, কিন্তু বোমা সন্দেহের কারণে সভাটি বিকেল চারটায় শেষ হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসানের সভাপতিত্বে সেখানে মুখ্য আলোচক ছিলেন প্রাবন্ধিক আহমেদ শাকিল হাসমী।
"রাতে কুমারখালী থানার ওসি জানতে পারেন, আখড়াবাড়ির ভেতর বোমা আছে। এরপর সেটি কর্ডন করে রাখা হয়। এটা টাইমবোমা ছিল। যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। আল্লাহ বাঁচিয়েছেন। সকালে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এসে সেটা নিষ্ক্রিয় করেছে।"
— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ
বোমা সন্দেহের ঘটনায় আখড়াবাড়ির মূল ফটক পার হয়ে ডান দিকে একটি নারকেলগাছের নিচে সাদা ব্যাগে মোড়ানো বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ। রাতেই সাধু-ফকিরদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন বলছেন, ঘটনাস্থলের ২০ হাতের মধ্যে পুলিশের ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য নিয়মিত বসে থাকতেন। বোমার বিষয়টি প্রথমে এক শিশুর নজরে আসে। সে এটা ফকিরদের জানায়, তারা জানায় পুলিশকে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আখড়াবাড়ি, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়সাল মাহমুদ (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী), গিয়াস ফকির (ফকির), জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৬ (তিরোধান দিবস), ১১ (টা), ১২ (টা), ২০ (হাত), ১৫-২০ (পুলিশ সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!