📌 পরিবেশ অধিদপ্তর সুন্দরবনের সংলগ্ন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ দিনের মধ্যে এবং ৮টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে
পরিবেশ অধিদপ্তর সুন্দরবনের সংলগ্ন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে উঠা এই রিসোর্টগুলোতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পরিবেশ অধিদপ্তর সুন্দরবনের সংলগ্ন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের চূড়ান্ত আদেশ জারি করেছে।
- 📌 এর মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ দিনের মধ্যে এবং ৮টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 বন্ধের নির্দেশপ্রাপ্ত রিসোর্টের নাম: সুন্দরী, ইরাবতী, অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ।
- 📌 পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ জানান, অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণের জন্য আগে ১০টি রিসোর্টকে শোকজ করা হয়েছিল।
- 📌 পরিবেশ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবনের সংলগ্ন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম জানান, এর আগে দু’দফা এসব রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে রিসোর্ট মালিকরা তাদের আবেদন পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ রিসোর্ট মালিকদের লিখিতভাবে চূড়ান্ত নোটিশ দেন। তিনি জানান, সুন্দরবনের ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকায় অবস্থিত এই ১৮টি রিসোর্ট খুলনা জেলা কার্যালয়ের আওতাধীন। পরিবেশ আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশীদ আরও জানান, অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণের কারণে আগে ১০টি রিসোর্টকে শোকজ করা হয়েছিল। তারা শোকজের জবাব এবং অনুমোদন চেয়ে আবেদন করলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান করতে ব্যর্থ হয়। ফলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। গতকাল (৬ অক্টোবর) সব প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম বন্ধ করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, নতুনভাবে নির্মিত আটটি রিসোর্টকে ৩০ সেপ্টেম্বর চিঠি দিয়ে সাত দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য স্থানে স্থানান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ এবং ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও বিধিমালা অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিয়মিত মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবন (ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ, বাণিশান্তা), খুলনা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপ-পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮টি রিসোর্ট, ১০টি প্রতিষ্ঠান (৩০ দিন), ৮টি প্রতিষ্ঠান (১৫ দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!