📌 বিজয় দশমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হওয়া দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রায় হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণে রাজধানী ঢাকা মুখর। পাঁচ দিনের পূজা শেষে দেবীকে বিদায় জানাতে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে পৌঁছেছে এই আনন্দ-বেদনার যাত্রা।
বিজয় দশমীর আনন্দ ও বেদনার মিশ্রতা নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে শুরু হওয়া দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা বুধবার বিকেলে মুখর করেছে রাজধানী। পাঁচ দিনের পূজা অনুষ্ঠানের পর দেবীকে বিদায় জানাতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে এই বর্ণিল যাত্রা। বিকেল ৪টায় পলাশী মোড়ের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে রাত ১০টার মধ্যে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে পৌঁছাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিকেল ৪টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা বুড়িগঙ্গার ১১টি ঘাটে বিসর্জন দেওয়ার লক্ষ্যে যাত্রা করছে
- 📌 বিজয় দশমীতে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে সকাল ৯টায় দর্পণ বিসর্জন ও সিঁদুর খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে
- 📌 ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পূজা কমিটির ১০০ সদস্য ও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে
- 📌 মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস সাধন বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখাই তাদের লক্ষ্য
- 📌 ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ৫০ বছরের রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে
- 📌 এই বছর ঢাকা মহানগরে ২৫৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বিজয় দশমীর আনন্দ ও বেদনার মিশ্রতা নিয়ে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হওয়া দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা বুধবার বিকেলে রাজধানী ঢাকাকে মুখর করেছে। পাঁচ দিনের পূজা শেষে দেবীকে বিদায় জানাতে বিকেল ৪টায় পলাশী মোড়ের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। জগন্নাথ হল, দোয়েল চত্বর, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর সড়ক ও রায়সাহেব বাজার হয়ে শোভাযাত্রাটি বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে পৌঁছাবে। রাত ১০টার মধ্যে বিসর্জন কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজয় দশমীতে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে সকাল ৯টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দশমীর বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শাস্ত্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। পরে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে সিঁদুর খেলা। সধবা নারীরা দেবীর চরণে সিঁদুর নিবেদন করে একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস সাধন বলেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখাই আমাদের প্রত্যাশা। দুর্গোৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”
"সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখাই আমাদের প্রত্যাশা। দুর্গোৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।"
দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের পাশাপাশি ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রায় ৫০ বছর ধরে চলমান রক্তদান কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের ভাষ্য, নবমীর রাতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে।
বিদায়ের মুহূর্তে ভক্তদের চোখেমুখে ছিল আবেগ। লালবাগের বাসিন্দা শ্রাবণী দাস বলেন, “এবার আগের বছরের চেয়ে বেশি আনন্দ করেছেন। তবে মা’কে বিদায় জানানোর সময় মন খারাপ হচ্ছে। আবার এক বছর পর দেবীর সঙ্গে দেখা হবে—এই প্রত্যাশাই তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী মোড়, ঢাকা; বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস সাধন (মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক), শ্রাবণী দাস (লালবাগের বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪:০০ টা (শোভাযাত্রা শুরু), ১০:০০ টা (বিসর্জন শেষ), ১১টি ঘাট (বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদ), ৯:০০ টা (দর্পণ বিসর্জন), ১১:০০ টা থেকে ১:০০ টা (সিঁদুর খেলা), ১০০ সদস্য (পূজা কমিটির), ৫০ বছর (রক্তদান কর্মসূচি), ২৫৮টি মণ্ডপ (ঢাকা মহানগর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!