📌 সাতক্ষীরার বুধহাটা কাছারী বাড়ি দুর্গামন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য মুগ ডালের প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় জমেছে এই নান্দনিক শিল্পকর্ম দেখতে
সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী বুধহাটা কাছারী বাড়ি দুর্গামন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিশেষ প্রস্তুতি চলছে। আসন্ন উৎসবের জন্য এবার দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ ও অসুরের প্রতিমা মুগ ডাল দিয়ে সাজিয়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। স্থানীয় দর্শনার্থীদের মধ্যে এই নান্দনিক শিল্পকর্ম দেখতে প্রচুর ভিড় জমেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরার বুধহাটা কাছারী বাড়ি দুর্গামন্দিরে মুগ ডাল দিয়ে দেবী দুর্গা ও অন্যান্য দেবদেবীর প্রতিমা তৈরি হচ্ছে
- 📌 প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাঠামোতে আঠার সাহায্যে মুগ ডাল বসিয়ে কারুকার্য করা হচ্ছে
- 📌 ভাস্কর কপিল মুনি প্রহ্লাদ বিশ্বাসের নিপুণ হাতে প্রতিমা ফুটে উঠছে
- 📌 দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় জমেছে মন্দিরে এই প্রতিমা দেখতে
- 📌 মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ কর্মকার বলেছেন, স্থানীয় কৃষিজীবনের প্রধান উপাদান মুগ ডালকে দুর্গোৎসবের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা কাছারী বাড়ি দুর্গামন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এবার দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ ও অসুরের প্রতিমা তৈরিতে মুগ ডালের ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিমা তৈরিতে বাঁশ, খড় ও মাটির কাঠামোতে আঠার সাহায্যে মুগ ডাল বসিয়ে সোনালি নকশায় সাজানো হচ্ছে।
ভাস্কর কপিল মুনি প্রহ্লাদ বিশ্বাসের নিপুণ হাতে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। তিনি জানান, এই কাজ অত্যন্ত নিখুঁত, ধৈর্য ও সময়সাপেক্ষ। রাত-দিন পরিশ্রম করে প্রতিমার মূল অবয়ব ফুটিয়ে তোলার কাজ চলছে।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “প্রতিবছরই আমাদের মণ্ডপে দর্শনার্থীদের জন্য নতুনত্ব আনার চেষ্টা থাকে। সাতক্ষীরার স্থানীয় কৃষিজীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান মুগ ডাল। এবার সেই ডালকেই দুর্গোৎসবের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে ভিন্নমাত্রার এক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
"রাত-দিন পরিশ্রম করে প্রতিমার মূল অবয়ব ফুটিয়ে তোলার কাজ চলছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুধহাটা কাছারী বাড়ি দুর্গামন্দির, আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কপিল মুনি প্রহ্লাদ বিশ্বাস, দেবাশীষ কর্মকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মুগ ডালের পরিমাণ (মণ), দর্শনার্থীদের ভিড়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!