📌 বিজয়া দশমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেবী দুর্গাকে সিঁদুরে বরণ ও সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন ভক্তরা। দেবীর দর্পণ বিসর্জন ও ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। মন্দিরে ২৫৮টি মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা বের হবে
বিজয়া দশমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেবী দুর্গার পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় সিঁদুরের আনন্দ ও বিষাদের মিশ্র পরিবেশে। ছয় দিনের পূজার সমাপ্তি ঘটায় দেবীর চরণে শেষ অর্ঘ্য নিবেদন, দর্পণ বিসর্জন ও ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। ভক্তরা দেবীকে সিঁদুর দিয়ে বরণ করে আনন্দের মুহূর্তে মেতে ওঠেন, কিন্তু বিদায়ের বিষাদও মনে রাখেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিজয়া দশমীতে দেবী দুর্গাকে সিঁদুরে বরণ ও সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন ভক্তরা
- 📌 দেবীর দর্পণ বিসর্জন ও ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা
- 📌 মন্দিরে ২৫৮টি মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা বের হবে, শেষ হবে ১১টি ঘাটে বিসর্জনে
- 📌 ভক্তদের প্রার্থনা: দেশের শান্তি, পরিবারের সুস্থতা ও সবার মঙ্গল
- 📌 মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শুরু হবে বেলা ৩টায়
📰 বিস্তারিত
বিজয়া দশমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেবী দুর্গার পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় সকালে। পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণ ও পূজার ঘণ্টা বাজানোর মধ্য দিয়ে দেবীর চরণে শেষ অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়। ভক্তরা প্রদীপ জ্বালিয়ে, ধূপ-ফুল ও বেলপাতা দিয়ে দেবীর চরণে অর্ঘ্য নিবেদন করেন। দেবীর দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এরপর মন্দিরের পুকুরে ঘট বিসর্জন দেওয়া হয়।
দেবীকে বরণ ও সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন ভক্তরা। দেবীর কপাল ও পায়ে সিঁদুর ছুঁইয়ে প্রণাম করে ভক্তরা একে অপরের কপালে সিঁদুর বিনিময় করেন। লাল সিঁদুরে রাঙা মুখ ও চোখের কোণে জল জমে থাকায় বিদায়ের মুহূর্তে আনন্দ ও বিষাদের মিশ্র পরিবেশ তৈরি হয়।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি তাপস কুমার পাল বলেন, ‘দেবীর দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। এখন মায়ের বরণ ও সিঁদুর খেলা চলছে।’ তিনি বলেন, সপ্তমী তিথিতে দেবীর চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে প্রতিমায় দেবীর উপস্থিতি আহ্বান করা হয়। আর দশমীতে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। সিঁদুর খেলা আনন্দ-উৎসবের অংশ। নারীরা স্বামীর মঙ্গল কামনায় সিঁদুর বিনিময় করেন।
"আজ দশমী পূজা হয়েছে। পূজার পরে সবাই অঞ্জলি দিয়েছে। অঞ্জলির পরে দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে শাস্ত্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। এরপর পূজারিরা ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পুকুরে ঘট বিসর্জন দিয়েছেন। এখন মায়ের বরণ ও সিঁদুর খেলা হবে।"
ভক্তদের প্রার্থনায় ছিল দেশ ও মানুষের মঙ্গল কামনা। দেবীর বিদায়ে মন খারাপ হলেও উৎসবের আনন্দে শামিল হন দিতিপ্রিয়া বণিক। তিনি বলেন, ‘মা চলে গেছেন, তাই মনটা একটু খারাপ। তবু আমরা এটাকে উদ্যাপন করছি। আসছে বছর আবার হবে, এই প্রত্যাশা। সবাই যেন সুস্থ থাকে, দেশের ভালো কিছু হয়, পরিবারের সবাই ভালো থাকে, এই প্রার্থনা করি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাপস কুমার পাল (মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি), শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস (মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫৮টি মণ্ডপ, ১১টি ঘাট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!