📌 দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত আটটি নিরামিষ খাবারের দোকানে পাবেন বাঙালি ও সাত্ত্বিক খাবারের বিশেষ আয়োজন। প্রতিটি দোকানেই রয়েছে নিরামিষ পদের বৈচিত্র্য এবং উৎসবের মেজাজে সাজানো খাবার
দুর্গাপূজা উপলক্ষে নতুন পোশাক, মণ্ডপে ঘোরাঘুরি এবং আড্ডার পাশাপাশি খাবারের স্বাদও বিশেষ করে তোলে উৎসবের মেজাজ। এই সময়ে নিরামিষ খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বিশেষায়িত দোকানগুলোই হতে পারে আপনার গন্তব্য। এখানে বাঙালি নিরামিষ পদের বাহারি আয়োজন থেকে শুরু করে বিরিয়ানি, পোলাও, পিঠাপুলি এবং দেশীয় মিষ্টি পর্যন্ত পাবেন। পুরান ঢাকা, মোহাম্মদপুর, পান্থপথ ও বনানীর আটটি দোকানের খোঁজ এখানে:
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **পুরান ঢাকার জগন্নাথ ভোজনালয়** (তাঁতীবাজার) থেকে পাবেন ২০-২৫ ধরনের নিরামিষ পদ, যেমন শুক্তো, ফুলকপির রসা এবং পুষ্পান্নের বিশেষ আয়োজন একাদশীতে
- 📌 **অনুরাধা মহাপ্রসাদ ভোজনালয়** (তাঁতীবাজার) পরিচিত দেশি ঘিতে তৈরি ভেজ পোলাও (৮০ টাকা) এবং নিরামিষ নাশতার ব্যবস্থা
- 📌 **গোবিন্দাস সাত্ত্বিক ফুডস** (মোহাম্মদপুর) পূজার দিনে সুবাসিত পুষ্পান্ন, পনির বিরিয়ানি এবং গরম লুচির বিশেষ মেনু প্রদান করে
- 📌 **জেপিএস ভেজ কিচেন** (মোহাম্মদপুর) পাঁচ বেলার খাবারের পাশাপাশি কাশ্মীরি পনির দম বিরিয়ানি, সয়া মুগডালের ভুনা এবং পঞ্চব্যঞ্জনের থালি
- 📌 **নীলাচল ভেজ রেস্তোরাঁ** (পান্থপথ) সরাসরি গিয়ে বা অনলাইনে অর্ডার করে পাবেন পাঁচ সবজি, মুগডাল এবং মালয়েশিয়ান সয়াবিনের বিশেষ পদ
- 📌 প্রতিটি দোকান খোলা থাকে সকাল ৭/৮টা থেকে রাত ১০-১১টা পর্যন্ত, অনলাইন অর্ডার সুবিধা সহ
- 📌 নিরামিষ খাবারের বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে পেঁয়াজ ও রসুন ব্যবহার করা হয় না
- 📌 মালয়েশিয়ান সয়াবিনের পদ এবং পনির ফ্রায়েড রাইসের মতো বৈচিত্র্যময় পদের জন্য পরিচিত নীলাচল ও জেপিএস
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার নিরামিষ খাবারের দোকানগুলো বিশেষ মেজাজে সাজিয়ে রেখেছে তাদের মেনু। পুরান ঢাকার **জগন্নাথ ভোজনালয়** (১১০ নম্বর বাড়ি, দোতলা) থেকে প্রতিদিন ২০-২৫ ধরনের নিরামিষ পদ পাবেন। এখানে ছোট স্টিলের বাটিতে পরিবেশন করা হয় শুক্তো, ফুলকপির রসা, ছানার ধোকা এবং বিভিন্ন ধরনের শাক ভর্তা। শেষ পাতে থাকে পায়েস, মিষ্টি দই বা চাটনি। বিশেষভাবে একাদশীতে পুষ্পান্ন, শ্যামা চালের পায়েস এবং সয়াবিনের রসা পরিবেশন করা হয়। দোকানটি সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে, ভিড়ের সময় পর্যন্ত রাত ১১টারও বেশি খাবার পরিবেশন করা হয়।
**অনুরাধা মহাপ্রসাদ ভোজনালয়** (তাঁতীবাজার, ৯ নম্বর হোল্ডিং) পরিচিত দেশি ঘিতে তৈরি খাবারের জন্য। এখানে জনপ্রিয় ভেজ পোলাও (৮০ টাকা) পাবেন, যা সয়া, গাজর ও আলুর সঙ্গে তৈরি। ছানার রসা, ডালপুরি, ছোলার ডাল এবং বিভিন্ন সবজি ভাজিও এখানে পাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকা এই দোকানে নাশতার জন্য পরোটা ও সবজিও পাওয়া যায়।
মোহাম্মদপুরের **গোবিন্দাস সাত্ত্বিক ফুডস** (বাবর রোড) নিরামিষপ্রিয়দের জন্য একটি আদর্শ ঠিকানা। পূজার দিনগুলোতে সুবাসিত পুষ্পান্ন, পনির বিরিয়ানি এবং গরম লুচির বিশেষ মেনু প্রদান করা হয়। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত খাবার পরিবেশন করা হয়। অনলাইন অর্ডার করার সুবিধাও রয়েছে। অন্যদিকে, **জেপিএস ভেজ কিচেন** (কাদেরাবাদ হাউজিং) তিন বেলার খাবারের পাশাপাশি পঞ্চব্যঞ্জনের থালি, বেকারি পণ্য এবং জন্মদিনের কেকও প্রদান করে। এখানে পাবেন কাশ্মীরি পনির দম বিরিয়ানি, সয়া মুগডালের ভুনা এবং মিক্সড সবজি।
পান্থপথের **নীলাচল ভেজ রেস্তোরাঁ** (স্কয়ার হাসপাতালের কাছে) চলতি বছরের মার্চে খোলা হয়েছে। এখানে পাবেন পাঁচ সবজি, মুগডাল, কাশ্মীরি ধোকা এবং পনির ও পটোলের বিশেষ পদ। মিষ্টিমুখের জন্য রসগোল্লা ও চুষির পিঠাও রয়েছে। দোকানটি সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে। অনলাইন অর্ডার করার সুবিধাও রয়েছে।
"নিরামিষ খাবারের বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে এখানকার রান্নায় পেঁয়াজ ও রসুন ব্যবহার করা হয় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরান ঢাকা (জগন্নাথ ভোজনালয়, অনুরাধা মহাপ্রসাদ), মোহাম্মদপুর (গোবিন্দাস সাত্ত্বিক ফুডস, জেপিএস ভেজ কিচেন), পান্থপথ (নীলাচল ভেজ রেস্তোরাঁ)
- 👥 খাবারের দোকানের মালিক/প্রতিষ্ঠাতা: অশোক কবিরাজ (জগন্নাথ ভোজনালয়), সুভাষ সাহা (নীলাচল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি দোকান, ২০-২৫ ধরনের নিরামিষ পদ, ৮০ টাকা (ভেজ পোলাও), ৯-১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!