📌 দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার ২৩৮টি পূজামণ্ডপে বরাদ্দকৃত ৬০০ কেজি চালের বরাদ্দপত্র প্রভাবশালী চক্র ২০-২১ হাজার টাকায় কিনে নিচ্ছে। পূজারিরা দাবি, চালের বাজারমূল্য ৫০ টাকা কেজি হলেও তারা ৩৩ টাকা ৩৩ পয়সা কেজিতে পাচ্ছেন
দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার ২৩৮টি পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দকৃত ৬০০ কেজি চালের বরাদ্দপত্র প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ২০ হাজার থেকে ২১ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নিচ্ছেন। পূজারিরা দাবি, এই অনিয়মের মাধ্যমে তারা চালের বাজারমূল্য থেকে অনেক কম দামে চাল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভার ও আশুলিয়ায় ২৩৮টি পূজামণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ করা হলেও প্রভাবশালী চক্র ২০-২১ হাজার টাকায় বরাদ্দপত্র কিনে নিচ্ছেন
- 📌 আশুলিয়ার মণ্ডপপ্রতি ৬০০ কেজি চালের বরাদ্দপত্রের বিপরীতে ২০ হাজার টাকা, সাভার এলাকায় ২১ হাজার ৫০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে
- 📌 গত বছর ৫০০ কেজি চালের বরাদ্দ ছিল ২০ হাজার টাকা, এবার ৬০০ কেজি হলেও দাম একই রেখে দেওয়া হচ্ছে
- 📌 পূজারিরা দাবি, চালের বাজারমূল্য ৫০ টাকা কেজি হলেও তারা ৩৩ টাকা ৩৩ পয়সা কেজিতে পাচ্ছেন
- 📌 সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগের বিষয়টি জানার পর জড়িত ব্যক্তিদের সাজানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার ২৩৮টি পূজামণ্ডপে সরকারি বরাদ্দকৃত ৬০০ কেজি চালের বরাদ্দপত্র প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ২০ হাজার থেকে ২১ হাজার ৫০০ টাকায় কিনে নিচ্ছেন। পূজারিরা জানান, আশুলিয়ার মণ্ডপগুলো প্রতি ৬০০ কেজি চালের বরাদ্দপত্রের বিপরীতে ২০ হাজার টাকা এবং সাভার পৌর এলাকাসহ আশপাশের মণ্ডপগুলো ২১ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছে।
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সাভার ও আশুলিয়ায় ২৩৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপের জন্য চালের বরাদ্দ ৫০০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বরাদ্দপত্র নিয়ে মণ্ডপের প্রতিনিধিদের খাদ্যগুদাম থেকে চাল সংগ্রহ করার কথা। তবে পূজারিরা দাবি, আশুলিয়ার মণ্ডপের প্রতিনিধিরা খাদ্যগুদাম থেকে চাল সংগ্রহ করতে পারেননি। এর আগেই একটি প্রভাবশালী চক্র পূজারিদের কাছ থেকে কম টাকায় চালের বরাদ্দপত্র কিনে নেয়।
সাভার পৌর এলাকাসহ আশপাশের প্রায় ১০০ মণ্ডপের চাল এক ব্যবসায়ী কিনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পূজারিরা। গত সোমবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বরাদ্দপত্র পাওয়ার পর কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি সেগুলো নিয়ে নেন। পরে প্রতি ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দের বিপরীতে মণ্ডপ প্রতিনিধিদের ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ভবনের চতুর্থ তলায় পরিসংখ্যান কর্মকর্তার কার্যালয়ে বসে বরাদ্দের চাল কেনাবেচা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পূজারিরা।
"একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে পূজারিরা কম দামে চাল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এর সঙ্গে সাভার উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের কয়েকজন কর্মকর্তার জড়িত থাকার অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।" — পূজা উদ্যাপন পরিষদের ঢাকা জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্মরণ সাহা
পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাভার থানা কমিটির সভাপতি বরুণ ভৌমিক বলেছেন, ‘চাল নিয়ে এ ধরনের কিছু হয়ে থাকলে তা আমার জানা নেই। বিষয়টি দেখার দায়িত্বও আমার নয়।’ সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ আমার কাছে এসেছে। এসব কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা পরিষদের ভেতরে পরিসংখ্যান কর্মকর্তার কার্যালয়ে বসে চাল বেচাকেনা চলছিল। আমি বিষয়টি জানার পরে তাঁদের সেখান থেকে বের করে দিয়েছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার ও আশুলিয়া, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্মরণ সাহা (পূজা উদ্যাপন পরিষদ), সাইফুল ইসলাম (সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা), বরুণ ভৌমিক (সাভার থানা কমিটির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩৮টি পূজামণ্ডপ, ৬০০ কেজি চাল, ২০-২১ হাজার টাকা, ৫০০ কেজি (গতবছর), ৩৩ টাকা ৩৩ পয়সা কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!