📌 চট্টগ্রামের দক্ষিণ নালাপাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদ ‘আত্মকথন’ প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্গাপূজাকে শিকড় ও সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করে নতুন সৃজনশীলতা নিয়ে আলোচনা করছে। সভাপতি অলক গোপালের মতে, এই উৎসব ঐতিহ্যের ভিত্তিতে নতুন ভাবনার জন্ম দেয়
চট্টগ্রামের দক্ষিণ নালাপাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদ এই বছর দুর্গাপূজাকে শিকড় ও সংস্কৃতির গল্পের মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করেছে। ‘আত্মকথন’ প্রকল্পের মাধ্যমে তারা তুলে ধরেছেন মানুষের অংশগ্রহণ, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার সংযোগ। পূজার প্রস্তুতিতে খড়, বাঁশ ও মাটির স্পর্শ থেকে শুরু করে মণ্ডপ নির্মাণে নানা শ্রমের অংশগ্রহণই এই উৎসবের মূল চেতনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের দক্ষিণ নালাপাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদ ‘আত্মকথন’ প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্গাপূজাকে শিকড় ও সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করেছে
- 📌 সভাপতি অলক গোপাল বলেছেন, দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনের জীবন্ত ঐতিহ্য
- 📌 সাধারণ সম্পাদক গৌতম দে বলেছেন, ‘ঐতিহ্যের ভিত্তিতেই হোক সৃজনশীলতার নির্মাণ’ — নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের কথা জানানোর উদ্যোগ
- 📌 মণ্ডপের দেয়ালচিত্রে শিল্পের মাধ্যমে শিকড় ও সংস্কৃতির গল্প ফুটে উঠেছে
- 📌 উৎসবের প্রস্তুতিতে অংশগ্রহণকারীদের শ্রম ও ভালোবাসা মিলে তৈরি হয় এই ঐতিহ্য
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শুরু হয় খড়ের গন্ধে, বাঁশের কাঠামোতে এবং মাটির স্পর্শে। এই প্রস্তুতিতে কারো হাতে খড়, কারো হাতে মাটি — প্রত্যেকের অংশগ্রহণেই উৎসবের মূল চেতনা গড়ে ওঠে। দক্ষিণ নালাপাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে রাজীব বিশ্বাস জানান, ‘আত্মকথন’ প্রকল্পের মাধ্যমে তারা নিজেদের শিকড়, সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে উৎসবের নিবিড় সম্পর্ক তুলে ধরতে চান।
সভাপতি অলক গোপাল বলেছেন, “দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি আমাদের সংস্কৃতি, সামাজিক বন্ধন এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা এক জীবন্ত ঐতিহ্য। ঐতিহ্য শুধু অতীতকে আঁকড়ে থাকা নয় — এটি আমাদের শিকড়, আমাদের বেড়ে ওঠার ভিত্তি। সেই শিকড়ের ওপর দাঁড়িয়েই জন্ম নেয় নতুন ভাবনা ও সম্ভাবনা।”
সাধারণ সম্পাদক গৌতম দে বলেছেন, “আমাদের বার্তা হলো ‘ঐতিহ্যের ভিত্তিতেই হোক সৃজনশীলতার নির্মাণ’। নতুন প্রজন্মকে তাদের শিকড়ের কথা জানানো, সংস্কৃতিকে চিনানো এবং ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার ধারণ করার প্রয়োজন। তারপর সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হবে। পুরোনোকে ভুলে না, পুরোনোকে সঙ্গে নিয়ে নতুন পথে অগ্রসর হওয়া উচিত।”
মণ্ডপের দেয়ালচিত্রে শিল্পের ভাষায় শিকড়, সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধনের কথা ফুটে উঠেছে। সাজসজ্জা নিছক সৌন্দর্য সৃষ্টির আয়োজন নয় — এটি নিজেদের গল্প বলার সৃজনশীল মাধ্যম। উৎসবের প্রস্তুতিতে বেজে উঠেছে ঢাকের বাদ্য, ধূপের গন্ধে ভরে উঠেছে চারপাশ, এবং আলোয় মুখর হয়েছে পাড়া। মায়ের আগমনে ফিরে এসেছে সেই চেনা আনন্দ, চেনা আবেগ এবং আপনজনের সান্নিধ্যে থাকার অনুভূতি।
"আমাদের উৎসবের এই আলোয় মানুষ আবারও খুঁজে পাচ্ছে নিজের মানুষকে, নিজের স্মৃতিকে, নিজের বেড়ে ওঠার গল্পকে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে চলা ঐতিহ্য নতুন করে প্রাণ পাচ্ছে মানুষের অংশগ্রহণে, শিল্পের প্রকাশে, ভালোবাসার বন্ধনে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের দক্ষিণ নালাপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অলক গোপাল (সভাপতি), গৌতম দে (সাধারণ সম্পাদক), রাজীব বিশ্বাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (আত্মকথন প্রকল্প)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!