📌 দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে নারকেল ও গুড়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। ভারতীয় নারকেলের পর্যাপ্ত আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে। ক্রেতারা দোকানগুলোতে ভিড় করছেন
দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় নারকেল ও গুড়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। পূজার প্রস্তুতিতে ক্রেতাদের ভিড় জমে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ভারতীয় নারকেলের পর্যাপ্ত আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফুলবাড়ী পৌরবাজারে নারকেলের দাম ১৬০ থেকে ২৩০ টাকা জোড়ায়, গত বছরের তুলনায় কমেছে
- 📌 ভারতীয় নারকেলের জোড়া দাম ১৮০ টাকা, প্রতি পিস ৮০ থেকে ১১৫ টাকা
- 📌 গুড়ের দাম প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা, নাড়ু তৈরির প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে
- 📌 ৬১টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিটি মণ্ডপে সুশৃঙ্খল পরিবেশে পূজা সম্পন্ন হবে বলে আশা
- 📌 ক্রেতারা বলছেন, পূজা উপলক্ষে নারকেল ও গুড় কিনতে কষ্ট পড়তে হয়, কিন্তু অভাব থাকলেও দিতে হয়
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় নারকেল ও গুড়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। পাড়া-মহল্লার মণ্ডপগুলোতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। পূজার প্রসাদ তৈরির পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়নের জন্য নারকেল ও গুড়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ভারতীয় নারকেলের পর্যাপ্ত আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ফুলবাড়ী পৌরবাজারে দেখা যায়, নারকেল ও গুড় সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকেই দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। আকারভেদে প্রতি জোড়া নারকেল বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২৩০ টাকায়। ভারতীয় নারকেলের জোড়া দাম ১৮০ টাকা, প্রতি পিস নারকেলের দাম পড়ছে ৮০ থেকে ১১৫ টাকা। গত বছর এক জোড়া নারকেলের দাম ছিল ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা। অন্যদিকে, নাড়ু তৈরির প্রধান উপকরণ গুড় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকায়।
ফুলবাড়ী বাজারে নারকেল কিনতে আসা অরুণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘পূজা উপলক্ষে দুই জোড়া নারিকেল কিনেছি ৩২০ টাকায়। দুই কেজি গুড় নিয়েছি ২৪০ টাকায়। গতবারের তুলনায় এবার দাম কিছুটা কম।’ পার্বতীপুর উপজেলার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা অর্পণা রানী ও জ্যোৎস্না রানী বলেন, ‘আশ্বিন-কার্তিক মাসে সংসারে অভাব থাকে। আমরা গরিব মানুষ। যত অভাবই থাকুক, মা দুর্গার পূজায় ফলমূল, মোয়া, নাড়ু ও নারকেল দিতে হয়। কষ্ট হলেও কিনতে হয়।’
পৌরবাজারের কেন্দ্রীয় কালীমন্দির-সংলগ্ন এলাকার নারকেল বিক্রেতা রহিদুল ইসলাম ও মফিজুল ইসলাম বলেন, পূজা উপলক্ষে তাঁরা নারকেল মজুত করেছেন। ভারতীয় নারকেল আমদানি বেড়ে যাওয়ায় এবার দাম কিছুটা কমেছে। তবে তাঁদের ভাষ্য, দেশি নারকেল আকারে বড় ও তুলনামূলক বেশি মিষ্টি। অন্যদিকে, ভারতীয় নারিকেল আকারে ছোট হলেও এর শাঁস পুরু।
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আনন্দ কুমার গুপ্ত বলেন, এ বছর উপজেলায় ৬১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিমা তৈরি ও মণ্ডপ সাজানোর কাজ প্রায় শেষ। প্রতিটি মন্দিরে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজার প্রস্তুতি চলছে। সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
"আশ্বিন-কার্তিক মাসে সংসারে অভাব থাকে। আমরা গরিব মানুষ। যত অভাবই থাকুক, মা দুর্গার পূজায় ফলমূল, মোয়া, নাড়ু ও নারকেল দিতে হয়। কষ্ট হলেও কিনতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফুলবাড়ী পৌরবাজার, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অরুণ চন্দ্র সাহা, অর্পণা রানী, জ্যোৎস্না রানী, রহিদুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, আনন্দ কুমার গুপ্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১টি মণ্ডপ, ১৬০-২৩০ টাকা (নারকেল জোড়া), ১৮০ টাকা (ভারতীয় নারকেল জোড়া), ৮০-১১৫ টাকা (নারকেল প্রতি পিস), ১১০-১২০ টাকা (গুড় প্রতি কেজি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!