📌 শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। বেসরকারি খাতের অফিসগুলোও এই ছুটির আওতায় থাকবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জানান, এটি জাতীয় ছুটি হিসেবে সবার জন্য প্রযোজ্য হবে
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মচারীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ২২ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার পর থেকে ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি সহ পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন চাকরিজীবীরা। প্রশ্ন উঠেছে, এই ছুটি কেবল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কিনা, বেসরকারি খাতের কর্মচারীদেরও এর আওতায় আসবে কিনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে।
- 📌 জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা জানান, এই ছুটি সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসের জন্য প্রযোজ্য হবে।
- 📌 জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, হাসপাতাল, ডাকসেবা ও ফায়ার সার্ভিস ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
- 📌 ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায় সাধারণ ছুটি ১৪ দিনের মধ্যে রয়েছে, যার মধ্যে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটি অন্যতম।
- 📌 বেসরকারি খাতের অফিসগুলো সাধারণত সরকারি ছুটির সময়সূচী অনুসরণ করে।
📰 বিস্তারিত
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছেন, এই সিদ্ধান্তটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার পর থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। তিনি জানান, এটি একটি জাতীয় ছুটি হিসেবে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসের জন্য প্রযোজ্য হবে।
২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুর্গাপূজার শেষ দিনে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ ও ২৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়, এই পাঁচ দিনের ছুটি ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা থাকবে।
ছুটির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, এই ছুটি বেসরকারি খাতের জন্যও প্রযোজ্য হবে। তবে জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, ডাকসেবা, টেলিফোন, ইন্টারনেট, হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা সেবা ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
"এই ছুটি জাতীয় ছুটি। তাই এটি সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে। সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস—সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে।"
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ ছুটি হলো উদ্যাপন বা পালনের জন্য করা হয়। যেমন ঈদুল ফিতর, বিজয়ী দশমী, বুদ্ধপূর্ণিমা, বড়দিন, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ইত্যাদি। অন্যদিকে নির্বাহী আদেশে ছুটি সাধারণত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হয়। তবে বর্তমানে বেসরকারি অফিসগুলোও এই ছুটির সময়সূচী অনুসরণ করে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি ও বেসরকারি অফিসসমূহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৪ অক্টোবর (পাঁচ দিনের ছুটি), ১৪ দিন (সাধারণ ছুটি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!