📌 শারদীয় দুর্গোৎসবের জোড়া সপ্তমীতে ঢাকার মন্দিরে সন্ধ্যারতিতে ভক্তদের বিশাল সমাগম। দেবী দুর্গার আরাধনা, নবপত্রিকা স্নান ও আরতির নৃত্যে পূজার আনন্দ দ্বিগুণ হয়
শারদীয় দুর্গোৎসবের বিশেষ দিন জোড়া সপ্তমীতে ঢাকার মন্দিরগুলো আজ সন্ধ্যারতিতে ভক্তদের সমুদ্রে পরিণত হয়েছে। ১৮ অক্টোবর রোববার এই জোড়া সপ্তমীর দ্বিতীয় দিনে সন্ধ্যারতির মুহূর্তে দেবী দুর্গার আরাধনা ও দর্শনের মধ্য দিয়ে পূজার আনন্দ দ্বিগুণ হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শারদীয় দুর্গোৎসবের ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া পূজায় এই বছর জোড়া সপ্তমী উদযাপিত হয়েছে — প্রথম দিন ১৭ অক্টোবর, দ্বিতীয় দিন ১৮ অক্টোবর
- 📌 সন্ধ্যারতির সময় মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদের বিশাল সমাগম; ধূপের সুবাস, পঞ্চপ্রদীপ ও কাঁসর-ঘণ্টার শব্দে পরিবেশে দৈব আবহ সৃষ্টি
- 📌 মহাসপ্তমীতে দেবী দুর্গার শক্তি আরাধনা ও অশুভ শক্তি বিনাশের জন্য নবপত্রিকা স্নান ও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে
- 📌 নবপত্রিকা প্রস্তুতিতে কলাগাছ, কচুগাছ, হলুদগাছ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মানকচু ও ধানগাছের ব্যবহার
- 📌 দেবী দুর্গা প্রতি শরতে মর্ত্যলোকে আসেন এবং সন্তানদের সঙ্গে পিতৃগৃহে সময় কাটানোর পর আবার দেবালয়ে ফিরে যান
📰 বিস্তারিত
শারদীয় দুর্গোৎসবের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া সপ্তমী। এই বছর দুর্গোৎসবের শুরু থেকে তিথির গণনায় পড়েছে এই বিশেষ সমাপাত, যার ফলে পর পর দুই দিন ধরে সপ্তমী পূজা উদযাপিত হয়েছে। ১৮ অক্টোবর রোববার এই দ্বিতীয় সপ্তমীর সন্ধ্যায় মন্দিরগুলোতে ভক্তদের বিশাল সমাগম দেখা গেছে। সন্ধ্যারতির সময় ধূপের সুবাস, পঞ্চপ্রদীপের শিখা ও কাঁসরের শব্দের সঙ্গে ঢাকার তালে মন্দির চত্বরগুলো এক অন্য জগতে পরিণত হয়েছে।
মহাসপ্তমীতে দেবী দুর্গার শক্তি আরাধনা ও অশুভ শক্তি বিনাশের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই দিনে ভক্তরা দেবীর কাছে পরিবার, সমাজ ও দেশবাসীদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। পূজা-অর্চনা, মন্ত্রপাঠ ও ভোগ নিবেদনের মধ্য দিয়ে মণ্ডপগুলোতে উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।
মহাসপ্তমীর অন্যতম প্রধান আচার হলো নবপত্রিকা স্নান ও পূজামণ্ডপে প্রবেশ। নবপত্রিকা সাধারণভাবে ‘কলাবউ’ নামে পরিচিত। শাস্ত্রীয় রীতি অনুসারে এই নবপত্রিকা প্রস্তুত করতে কলাগাছ, কচুগাছ, হলুদগাছ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মানকচু ও ধানগাছের ব্যবহার করা হয়। নির্ধারিত আচার অনুসারে নবপত্রিকাকে স্নান করিয়ে পূজামণ্ডপে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর শুরু হয় সপ্তমীবিহিত পূজার আনুষ্ঠানিকতা, যেখানে ষোড়শোপচারসহ বিভিন্ন শাস্ত্রীয় রীতিতে দেবীর পূজা করা হয়।
"মহাসপ্তমীতে দেবী দুর্গার শক্তি আরাধনা ও অশুভ শক্তি বিনাশের জন্য প্রতি শরতে কৈলাস ছেড়ে মর্ত্যলোকে আসেন। সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে তিনি পিতৃগৃহে সময় কাটানোর পর আবার দেবালয়ে ফিরে যান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মন্দিরগুলো)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভক্তরা, দেবী দুর্গা, সন্তানদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ অক্টোবর (পূজা শুরু), ১৮ অক্টোবর (জোড়া সপ্তমীর দ্বিতীয় দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!