📌 দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে সিরাজগঞ্জের ভদ্রঘাট পালপাড়ায় কারিগরদের ব্যস্ততা চরমে। উপকরণের দাম বেড়ে গেলেও প্রতিমার দাম একই থাকায় লাভ কমে যাচ্ছে। প্রতিবছর ২৫০-৩০০টি প্রতিমা তৈরি হলেও কারিগরদের আর্থিক চাপ বাড়ছে
দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট পালপাড়ায় কারিগরদের ব্যস্ততা চরমে। প্রতিমা তৈরির কাজে মাটি, তুলি, দড়ি, বাঁশসহ বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়ে গেলেও প্রতিমার দাম একই থাকায় লাভের মুখ দেখছেন না তারা। প্রতিমা তৈরির কাজে জড়িত কারিগরদের কথা শুনলে জানা যায়, বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখা সত্ত্বেও আর্থিক চাপে তারা কষ্ট পাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের ভদ্রঘাট পালপাড়ায় দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে কারিগরদের ব্যস্ততা চরমে, প্রতিবছর ২৫০ থেকে ৩০০টি প্রতিমা তৈরি হয়
- 📌 উপকরণের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেলেও প্রতিমার দাম একই থাকায় কারিগরদের লাভ কমে যাচ্ছে, ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হয় প্রতিমা
- 📌 প্রতিমা পরিবহনে কাঁচা সড়কের কারণে ভাঙার ঝুঁকি থাকায় কারিগরদের মেরামতের খরচ বাড়ছে
- 📌 বগুড়া, রাজশাহী, পাবনা ও টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা প্রতিমা ক্রয় করতে আসছেন
- 📌 কারিগর শ্রীকান্ত পাল বলেন, ‘বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখেছি, কিন্তু লাভ কমে যাচ্ছে’
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে সিরাজগঞ্জের ভদ্রঘাট পালপাড়ায় কারিগরদের ব্যস্ততা চরমে। প্রতিমা তৈরির কাজে মাটি দিয়ে দেবীর বিভিন্ন অংশ তৈরি করা হচ্ছে। কারিগর জিতেন পাল বলেন, ‘দড়ি, বাঁশসহ প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বেড়েছে। কোনো কোনো জিনিসের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। কিন্তু প্রতিমার দাম বাড়েনি। তিন-চার বছর আগে প্রতিটি প্রতিমার সেট প্রকারভেদে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করতাম, এখনো প্রায় একই দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
কারিগরদের কথা মতে, প্রতিমা তৈরির পর পরিবহনে কাঁচা সড়ক থাকায় ভাঙার ঝুঁকি রয়েছে। বলরাম মন্দির থেকে গ্রামীণ ব্যাংক পর্যন্ত কাঁচা সড়ক থাকায় প্রতিমা নিয়ে যেতে অনেক সময় তা ভেঙে যায়। পরে আবার কারিগরদেরই মেরামত করতে হয়। জিতেন পাল বলেন, ‘রাস্তায় প্রতিমা ভেঙে গেলে আবার আমাদেরই ঠিক করে দিতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে।’
বগুড়া থেকে প্রতিমা কিনতে আসা সুমিত কানু বলেন, ‘এখানকার প্রতিমা দেখতে ভালো, দামও তুলনামূলক কম। আমার বাজেট ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এই টাকায় মনের মতো প্রতিমা পাওয়া যাবে কি না, দেখছি।’ কারিগর শ্রীকান্ত পাল বলেন, ‘এখনো পুরোদমে বিক্রি শুরু হয়নি। তবে পূজা ঘনিয়ে এলে বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিমা তৈরি করে খুব বেশি লাভ থাকে না। বাপ-দাদার পেশা, তাই ধরে রেখেছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা অবশ্য এ পেশায় আসতে চায় না।’
"দড়ি, বাঁশসহ প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। কোনো কোনো জিনিসের দাম দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু প্রতিমার দাম বাড়েনি। তিন-চার বছর আগে প্রতিটি প্রতিমার সেট প্রকারভেদে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করতাম, এখনো প্রায় একই দামে বিক্রি করতে হচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভদ্রঘাট পালপাড়া, কামারখন্দ উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিতেন পাল, শ্রীকান্ত পাল, সুমিত কানু, ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০-৩০০টি প্রতিমা, ২০-৫০ হাজার টাকা, ২৫-৩০ হাজার টাকা, ২৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!