📌 দুর্গাপূজা ছুটির সময় খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে। জেলা পরিষদ পার্ক, আলুটিলা, মায়াবিনী লেকসহ বিভিন্ন স্থানে দিনে ৭০০-এরও বেশি পর্যটক আসছেন। হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে ব্যবসা বেড়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ পর্যটক রাত যাপন করছেন না
দুর্গাপূজা ছুটির সুযোগে খাগড়াছড়ি জেলার নদী, পাহাড় ও ঝরনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র যেমন জেলা পরিষদ পার্ক, আলুটিলা, মায়াবিনী লেকসহ রাঙামাটির সাজেক পর্যন্ত পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭০০-এরও বেশি পর্যটক দিনে জেলা পরিষদ পার্কে আসছেন, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি।
- 📌 ১০০টি গাড়ি প্রতিদিন সাজেকের উদ্দেশে বুকিং হয়ে যাচ্ছে, যা আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে।
- 📌 রেস্তোরাঁগুলোতে পর্যটকদের ভিড়ে ব্যবসা বেড়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ পর্যটক রাত যাপন করছেন না।
- 📌 হোটেলগুলিতে ভিড় তুলনামূলক কম, কারণ অনেক পর্যটক সরাসরি সাজেকের উদ্দেশে রওনা হন।
- 📌 জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নজরদারি করা হচ্ছে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ির জেলা পরিষদ পার্কে দেখা যায়, স্থানীয় ও দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভিড়ে মুখর। কেউ কেউ পার্কটিতে ছবি তুলছেন, কেউ বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে মেতে উঠেছেন। চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে আসা পর্যটক অন্তু দাশ জানান, তাঁরা একদিনের সফরে জেলা পরিষদ পার্ক, আলুটিলা ও রিচাং ঝরনা ঘুরে বিকেলে পূজামণ্ডপ দেখতে চট্টগ্রাম সড়কের পাশে অবস্থিত মণ্ডপগুলো দেখে বাড়ি ফিরবেন।
পার্কের টিকিট বিক্রেতা মনতোষ ত্রিপুরা বলেন, গতকাল সোমবার প্রায় ৭০০ পর্যটক পার্কটিতে প্রবেশ করেছেন, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি। তিনি আরও জানান, তাঁদের লাইনের বেশিরভাগ গাড়ি আগামী শনিবার পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে। প্রতিদিনই পর্যটকেরা আসছেন। গতকাল সকালেও প্রায় ১০০টি গাড়ি সাজেকের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। আজও একই সংখ্যক গাড়ি খাগড়াছড়ি ছেড়ে যাওয়ার কথা হয়েছে।
পর্যটক বাড়ার সাথে সাথে জেলার রেস্তোরাঁগুলোতে ব্যবসা জমে উঠেছে। সিস্টেম রেস্তোরাঁর কর্মী আচিং মারমা বলেন, তাঁদের রেস্তোরাঁয় প্রতিদিনই লোকজন আসছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে এত ভিড় হয়েছিল যে অনেক পর্যটককে জায়গা দিতে পারেননি। তাঁদের অনেকক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করতে হয়েছে।
হোটেলগুলিতে পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। খাগড়াছড়ি শহরের হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপক প্রান্ত ত্রিপুরা বলেন, তাঁদের হোটেলের অর্ধেকের বেশি কক্ষ আগামী শনিবার পর্যন্ত বুকিং রয়েছে। তবে বেশিরভাগ পর্যটক সরাসরি সাজেকের উদ্দেশে রওনা হন এবং পরদিন দুপুরে সাজেক থেকে ফিরে বিকেলে খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে রাতের গাড়িতে আবার নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাচ্ছেন।
জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, পূজা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পর্যটকদের যাতে নির্বিঘ্নে ঘোরাঘুরি করতে পারেন এবং কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন, সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
"আমাদের লাইনের বেশির ভাগ গাড়ি আগামী শনিবার পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে। প্রতিদিনই পর্যটকেরা আসছেন। গতকাল সকালেও প্রায় ১০০ গাড়ি সাজেকের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। আজও একই সংখ্যক গাড়ি খাগড়াছড়ি ছেড়ে যাওয়ার কথা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পার্ক, আলুটিলা, মায়াবিনী লেক, রাঙামাটির সাজেক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনতোষ ত্রিপুরা, সৈকত চাকমা, আচিং মারমা, মো. আনোয়ার সাদাত, অন্তু দাশ, প্রান্ত ত্রিপুরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ (পর্যটক), ১০০ (গাড়ি), ৩০ (গুণ বেড়েছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!