📌 পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ঘোষণা দেন যে, ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপে নিরাপদে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য পুলিশ প্রাক-পূজা, পূজা চলাকালীন এবং বিসর্জন পরবর্তী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় পুলিশের সার্বক্ষণিক সতর্কতা ও কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করা হয়েছে
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির আজ রোববার দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে অনুষ্ঠিত সভায় ঘোষণা দেন, এই বছর প্রায় ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা নিরাপদে উদ্যাপিত হবে। তিনি বলেন, পুলিশ প্রাক-পূজা, পূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন ও পূজা পরবর্তী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে পুলিশের পূজাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩৩ হাজার পূজামণ্ডপে** দুর্গাপূজা উদ্যাপনের জন্য পুলিশ তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে
- 📌 **সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায়** সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক পোস্টের বিরুদ্ধে পুলিশের সতর্কতা জোরদার
- 📌 **সিসিটিভি, আলো ও জেনারেটর** সকল পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
- 📌 **সোয়াট, সিআরটি, কিউআরটি ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট** দুর্গাপূজা চলাকালে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে
- 📌 **৯৯৯ নম্বর** বা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটাতে না পারে সে জন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় উপস্থিত নেতারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
সভায় অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো. রেজাউল করিম, এসআরবি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ, টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজি জি এম আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সায়েদুর রহমান, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ভারপ্রাপ্ত) ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান, হাইওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজি ফারুক আহমেদ, এসবি প্রধান (অতিরিক্ত আইজি) মো. কামরুল আহসান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন মজুমদার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল রোজারিও ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, ট্রাস্টি ও ভাইস চেয়ারম্যান কল্যাণ ফ্রন্ট জয়দেব রায়, পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রূপণ চন্দ্র দাস, ঢাকা মহানগর উত্তর কৃষক দল পূজা ফ্রন্টের যুগ্ম আহ্বায়ক অলোক বসু, রমনা কালী মন্দিরের সদস্যসচিব শ্রী মিঠুন কুমার দাস, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের ম্যানেজার স্বামী দেবধ্যানানন্দ, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের সোয়াট, ক্রাইম রেসপন্স টিম (সিআরটি), কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি), ক্রাইম সিন ভ্যান এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সিসিটিভি সক্রিয় রাখা, পূজামণ্ডপ ও বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলো ও স্ট্যান্ড বাই জেনারেটরের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
"দুর্গাপূজা ঘিরে কোন মহল বা গোষ্ঠী যাতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সে জন্য সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন মজুমদার, বিএনপি সদস্য রমেশ দত্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপ, ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!