📌 মহানবমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় ভক্তরা দেবী দুর্গার কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেছেন। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় সকাল ১০টার দিকে, যেখানে মন্ত্রপাঠ, উলুধ্বনি ও অঞ্জলি নিবেদনের মধ্য দিয়ে পূজা সম্পন্ন হয়। পূজার পাশাপাশি মেলায় পরিবারসহ লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন
মহানবমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় ভক্তরা দেবী দুর্গার কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মন্ত্রপাঠ, উলুধ্বনি, ঢাক ও কাঁসর ঘণ্টার শব্দে পূজার আত্মা জাগ্রত হয়। পূজা শেষে অনেকেই মেলায় ঘুরে কেনাকাটা করেন। মহানবমীতে দেবী দুর্গার আরাধনার মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভশক্তির বিজয় কামনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মহানবমী অনুষ্ঠিত হয় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে, যেখানে দেবী দুর্গার কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করা হয়।
- 📌 সকাল ১০টার দিকে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা, যেখানে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের সঙ্গে ভক্তরা উলুধ্বনি দেন।
- 📌 বেলা ১১টার দিকে ভক্তদের হাতে অঞ্জলির ফুল ও বেলপাতা দেওয়া হয়, যা পূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- 📌 অজিত দেব (সরকারি কর্মকর্তা) তাঁর স্ত্রী খুমপুই ত্রিপুরা ও দুই ছেলে অভিরাজ ও অভিরুপসহ পূজায় অংশ নেন।
- 📌 মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উপদেষ্টা অরূপরতন চৌধুরী বলেন, মহানবমীতে দেবীর কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করা হয়।
- 📌 মেলায় বিভিন্ন স্টলে গৃহস্থালির বাসনকোসন, চুড়ি, গয়না, কাপড়চোপড় ও শিশুদের খেলনা বিক্রি হয়।
📰 বিস্তারিত
মহানবমীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় ভক্তরা দেবী দুর্গার কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা করেছেন। এই বিশেষ দিনে দেবী দুর্গার আরাধনার মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভশক্তির বিজয় কামনা করা হয়। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় সকাল সোয়া ১০টার দিকে। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের সঙ্গে ভক্তরা উলুধ্বনি দেন। কেউ কেউ দুই হাত জোড় করে প্রণাম করেন, কেউ হাত তুলে দেবী দুর্গার জয়ধ্বনি দেন। বেলা ১১টার দিকে ভক্তদের হাতে অঞ্জলির ফুল ও বেলপাতা দেওয়া হয়। সোয়া ১১টার দিকে অঞ্জলি নিবেদনের মধ্য দিয়ে পূজার এই পর্ব শেষ হয়।
পূজায় অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা অজিত দেব তাঁর স্ত্রী খুমপুই ত্রিপুরা ও দুই ছেলে অভিরাজ ও অভিরুপসহ। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন গৃহসহায়ক উরিনা ত্রিপুরা। অজিত দেব বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে পেরে ভালো লাগছে। সন্তানদের নিয়ে পূজায় আসা শুধু ধর্মীয় আচার পালনের বিষয় নয়, তাদের কাছে আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরারও একটি সুযোগ। মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি, সবার জীবনে শান্তি, সুস্থতা ও মঙ্গল আসুক। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই যেন মিলেমিশে ভালো থাকতে পারি।’
মহানবমীর পূজার পাশাপাশি মন্দির প্রাঙ্গণে মেলা বসানো হয়। বিভিন্ন স্টলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে গৃহস্থালির বাসনকোসন, চুড়ি, গয়না, কাপড়চোপড় ও শিশুদের খেলনা। পূজা দিতে আসা অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেলা ঘুরে দেখছেন, পছন্দের জিনিস কিনছেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উপদেষ্টা অরূপরতন চৌধুরী বলেন, মহালয়া থেকে ষষ্ঠী, সপ্তমী ও অষ্টমী—দুর্গোৎসবের প্রতিটি পর্ব এবার ভালোভাবে উদ্যাপন করা গেছে। মহানবমীর পূজাও সুন্দরভাবে উদ্যাপন করতে পারায় তাঁরা আনন্দিত। তিনি বলেন, ‘মা দুর্গা দুর্গতি নাশ ও অসুর বিনাশের প্রতীক। মানুষের মধ্যে যে অশুভ প্রবৃত্তি ও অশান্তি রয়েছে, দেবীর কাছে তার বিনাশ কামনা করেন তাঁরা। দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকার প্রত্যাশা তাঁদের।’
"মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি, সবার জীবনে শান্তি, সুস্থতা ও মঙ্গল আসুক। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই যেন মিলেমিশে ভালো থাকতে পারি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অজিত দেব, খুমপুই ত্রিপুরা, অভিরাজ, অভিরুপ, উরিনা ত্রিপুরা, অরূপরতন চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সকাল ১০টা, বেলা ১১টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!