📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজয় দশমীর বিষাদময় বিসর্জনযাত্রা: ঢাকেশ্বরী থেকে বুড়িগঙ্গা পর্যন্ত ভক্তদের অনুভূতির সঞ্চার

বিজয় দশমীর বিষাদময় বিসর্জনযাত্রা: ঢাকেশ্বরী থেকে বুড়িগঙ্গা পর্যন্ত ভক্তদের অনুভূতির সঞ্চার

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজয় দশমীর দিন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হওয়া দেবী দুর্গার বিসর্জনযাত্রা বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে শেষ হবে। শঙ্খনাদ ও ভক্তদের অনুভূতির মিশ্রতা নিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে সিঁদুর খেলা, মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়

বিজয় দশমীর দিন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হওয়া দেবী দুর্গার বিসর্জনযাত্রা বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে পৌঁছেছে। শঙ্খনাদ, ঢাকের বাদ্য ও ‘বলো দুগ্গা মাই কি জয়’ ধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই যাত্রায় ভক্তদের অনুভূতির মিশ্রতা লক্ষ্য করা যায়। বুধবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর পলাশী মোড়ের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে এই যাত্রা শুরু হয়। জগন্নাথ হল, দোয়েল চত্বর, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায়সাহেব বাজার হয়ে বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে গিয়ে শোভাযাত্রা শেষ হবে। রাত ১০টার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিজয় দশমীর দিন ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হওয়া দেবী দুর্গার বিসর্জনযাত্রা বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাটে শেষ হবে।
  • 📌 বিকাল ৪টায় পলাশী মোড়ের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শঙ্খনাদ ও বাদ্যের সঙ্গে শুরু হওয়া যাত্রা রাত ১০টার মধ্যে শেষ হবে।
  • 📌 সকাল ৭টায় দশমীর বিহিত পূজা শুরু হয়, সকাল ৯টায় দর্পণ বিসর্জন ও সকাল ১১টায় সিঁদুর খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
  • 📌 বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
  • 📌 মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে মন্দির প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প ও ৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
  • 📌 ১১টি ঘাট নির্ধারণ করা হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জনের জন্য বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের।
  • 📌 ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মূল প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় না। সপ্তমী পূজার দিন প্রতিষ্ঠা করা কলাবউ বিসর্জন দেওয়া হবে।

📰 বিস্তারিত

বিজয় দশমীর দিন দেবী দুর্গা পিতৃগৃহ ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যান। এই দিনে ভক্তদের হৃদয় বিষাদে আপ্লুত হয়। দশমী বিহিত পূজা ও সিঁদুর খেলা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিদায়পর্ব শুরু হয়। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সকাল ৭টায় দশমীর বিহিত পূজা শুরু হয়। সকাল ৯টায় দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে পূজার শাস্ত্রীয় সমাপ্তি ঘটে। এরপর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে বিজয়া দশমীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ—সিঁদুর খেলা। স্বামীর দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনায় সধবা নারীরা দেবীর চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন।

বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পূজা কমিটির প্রায় ১০০ সদস্য অংশগ্রহণ করেন। মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস বলেন, “আমাদের মধ্যে যে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে উঠেছে, তা ধরে রাখতে চাই। এ বন্ধনকে ধারণ করেই সামনের দিনে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।”

সামাজিক কর্মসূচি ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন দুর্গাপূজা কেবল ধর্মীয় আচারেই সীমাবদ্ধ ছিল না। মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে মন্দির প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প চালানো হয়। এছাড়া বুধবার দুপুরে মন্দিরে প্রায় ৫০ বছর ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী রক্তদান কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়। নবমীর রাতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

শোভাযাত্রায় ভক্ত ও শিল্পীদের অনুভূতি বিষাদময়। পুরান ঢাকার ওয়ারীর বাসিন্দা কারিগর চন্দন চন্দ্র দাস বলেন, “মা দুর্গা আমাদের আরাধ্য দেবী। জগতের সব শক্তির উৎস তিনি। আজ আবার ধরাধাম থেকে তিনি মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ীতে চলে যাবেন। জগতের অশুভ শক্তি বিনাশ হোক— এই প্রার্থনা নিয়ে মাকে বিদায় জানাচ্ছি।”

লালবাগের বাসিন্দা শ্রাবণী দাস বলেন, “আজ একটু কষ্ট হচ্ছে। আবার এক বছর পর মায়ের সঙ্গে দেখা হবে। তবে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে এবার সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে না পারার আক্ষেপও ঝরে তার কণ্ঠে। শিক্ষক সীমা রানী পাল বলেন, “শহরে উৎসবটা সবার হয়ে যায়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম সহকর্মী ও তাদের সন্তানদেরও রাতে পূজা দেখতে আসতে দেখা যায়। এ কারণে শহরে সম্প্রীতির মেলবন্ধনটা বেশি।”

"বিশ্বের মধ্যে এটি বিরল যে এক ধর্মের অনুষ্ঠান সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অন্য ধর্মের মানুষ, বিশেষ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম ভাইয়েরা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সহযোগিতা করেন।"

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের বিসর্জনে রয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য। এখানকার মূল প্রতিমাটি বিসর্জন দেওয়া হয় না। শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস বলেন, “ঢাকেশ্বরী মন্দিরে দেবী দুর্গা স্বয়ং অধিষ্ঠিত। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঐতিহ্য রয়েছে, এই প্রতিমা আমরা এক বছর সংরক্ষণ করি। পরবর্তী পূজার আগে বিসর্জন দেওয়া হয়। এবার প্রতীকীভাবে সপ্তমী পূজার দিন প্রতিষ্ঠা করা কলাবউ বা কলাগাছটি বিসর্জন দেওয়া হবে।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির (পলাশী মোড়), বুড়িগঙ্গার ওয়াইজঘাট, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুভাশিষ কুমার বিশ্বাস (মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক), চন্দন চন্দ্র দাস, শ্রাবণী দাস, সীমা রানী পাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪.০ (টায় - যাত্রা শুরু), ১০.০ (টার - যাত্রা শেষ), ৭.০ (টায় - দশমীর বিহিত পূজা), ৯.০ (টায় - দর্পণ বিসর্জন), ১১.০ (টা - ঘাট), ১.০ (টা - কলাবউ বিসর্জন), ১২.০ (টা - বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময়), ১০০.০ (সদস্য - পূজা কমিটি), ৫০.০ (বছর - রক্তদান কর্মসূচি), ৫০.০ (হাজার - মহাপ্রসাদ বিতরণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖