📌 ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট থেকে ৫৭ জন প্রার্থীর নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। তারা সরকারকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত গেজেটে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। ডাকসু নেতারা সরকারের দলীয়করণ ও ভেরিফিকেশনের নামে প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধেরও দাবি তুলেছেন
৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট থেকে ৫৭ জন প্রার্থীর নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে শুরু হয়ে কলাভবন ও মধুর ক্যানটিন ঘুরে ডাকসু ভবন প্রাঙ্গণে শেষ হয়েছে। সমাবেশে ডাকসুর নেতারা সরকারের চাকরিতে দলীয়করণ ও ভেরিফিকেশনের নামে প্রার্থীদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তারা ১২ অক্টোবর পর্যন্ত গেজেটে বাদ পড়া প্রার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট থেকে ৫৭ জন প্রার্থীর নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে ডাকসু বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে
- 📌 ডাকসুর সহসভাপতি সাদিক কায়েম বলেছেন, বিএনপি সরকার মেধাকে ধ্বংস করে দলীয়করণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের পেটে লাথি মারতে চায়
- 📌 ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক মুহা. মহিউদ্দিন খান অভিযোগ করেছেন, ভাইভায় নম্বর বাড়ানো ও বিসিএসের ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সরকার বাংলাদেশকে পিছিয়ে নিয়ে যেতে চায়
- 📌 সমাবেশে ৪৯তম বিসিএসে প্রথম হওয়া শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘মেধায় প্রথম হলেও গেজেটে নাম নেই’
- 📌 ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রেজোয়ান আহমেদ তাহমিদ বলেছেন, ১০ মাস অপেক্ষার পরও গেজেটে তাঁর নাম আসেনি
📰 বিস্তারিত
বিক্ষোভ মিছিলের সময় ডাকসুর নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে দলীয়করণ ও ভেরিফিকেশনের নামে প্রার্থীদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলেছেন। ডাকসুর সহসভাপতি সাদিক কায়েম বলেছেন, বিএনপি সরকার শেখ হাসিনার মতো আচরণ করলে বাংলাদেশে তার চেয়ে ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এনটিআরসিএর নিয়োগ এবং প্রাথমিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও ভেরিফিকেশনের নামে প্রার্থীদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন খান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর চাকরির ক্ষেত্রে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল না। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভাইভায় নম্বর বাড়ানো, এনটিআরসিএর নিয়োগ বাতিলের উদ্যোগ এবং বিসিএসের ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সরকার বাংলাদেশকে আবার পিছিয়ে নিয়ে যেতে চায়। তিনি দাবি করেছেন, চাকরির ক্ষেত্রে মেধার বাইরে কোনো বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যাবে না।
সমাবেশে ৪৯তম বিসিএসে সমাজকল্যাণ ক্যাডারে প্রথম হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘৪৯তম বিসিএসে সমাজকল্যাণ ক্যাডারে প্রথম হয়েও গেজেটে আমার নাম আসেনি। শুরু থেকেই বিসিএসের জন্য পরিশ্রম করেছি। জুলাইয়ের আন্দোলনেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই, যার কারণে গেজেট থেকে বাদ পড়তে পারি।’ তিনি দাবি করেছেন, ১২ অক্টোবর যোগদানের আগেই বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে গেজেটে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
অন্য এক প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ তাহমিদ বলেছেন, দীর্ঘ পরিশ্রম করে ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর প্রায় ১০ মাস অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গেজেটে তাঁর নাম আসেনি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ভেরিফিকেশনের সময় তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও পারিবারিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, ‘আমি কখনো ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। আমার বাবা বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, এটাই জানিয়েছিলাম। বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের দায় আমার ওপর কেন চাপানো হবে?’
"বিএনপি সরকার মেধাকে ধ্বংস করে দলীয়করণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের পেটে লাথি মারতে চায়। তারা যদি শেখ হাসিনার মতো আচরণ করতে চায়, তাহলে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার যে পরিণতি হয়েছিল, তার চেয়ে ভয়াবহ পরিণতি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিক কায়েম (ডাকসুর সহসভাপতি), মুহা. মহিউদ্দিন খান (ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক), আবদুল্লাহ আল মামুন বেলাল, রেজোয়ান আহমেদ তাহমিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭ জন প্রার্থী, ৪৯তম বিসিএস, ১২ অক্টোবর, ১০ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!