📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিনাজপুরে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণে স্মৃতিচারণ: বীর মুক্তিযোদ্ধা করুণাকান্ত রায়ের জীবনগাথা

দিনাজপুরে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণে স্মৃতিচারণ: বীর মুক্তিযোদ্ধা করুণাকান্ত রায়ের জীবনগাথা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুর বন্ধুসভার আয়োজনে ‘রণাঙ্গনের দিনগুলি’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণায় বীর মুক্তিযোদ্ধা করুণাকান্ত রায় ও কবি বিধান দত্ত মুক্তিযুদ্ধের গল্প তুলে ধরেন। ১২ অক্টোবর সুইহারী এলাকায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে যুদ্ধের স্মৃতি ও শহীদদের আত্মত্যাগের গল্প শোনানো হয়

দিনাজপুরের সুইহারী এলাকায় ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত একটি স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণের স্মৃতি জাগ্রত করে তোলা হয়। দিনাজপুর বন্ধুসভার আয়োজনে ‘রণাঙ্গনের দিনগুলি’ শিরোনামে এই অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা করুণাকান্ত রায় ও কবি বিধান দত্ত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ ও দিনাজপুরের গণহত্যার গল্প তুলে ধরেন। বন্ধুসভার বন্ধু ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চন্দ্র রায়। সভাপতি শবনম মুস্তারিন স্বাগত বক্তব্য দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১২ অক্টোবর দিনাজপুরের সুইহারী এলাকার দয়ানন্দ সাধারণ গ্রন্থাগারের নজরুল চর্চা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘রণাঙ্গনের দিনগুলি’ শিরোনামের স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠান
  • 📌 বীর মুক্তিযোদ্ধা করুণাকান্ত রায় ৭ নম্বর সেক্টরের যুদ্ধ অভিজ্ঞতা ও ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার গল্প তুলে ধরেন
  • 📌 তিনি জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ১১টি আক্রমণ পরিচালনা করে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালান
  • 📌 ৬ জানুয়ারি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে স্মৃতিচারণা শুরু করেন করুণাকান্ত রায়
  • 📌 কবি বিধান দত্ত দিনাজপুরের মুক্তিযুদ্ধকালীন ইতিহাস ও গণহত্যার গল্প উপস্থাপন করেন

📰 বিস্তারিত

স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা করুণাকান্ত রায় বলেন, ‘বৃষ্টির দিনে সিরাজগঞ্জ থেকে শিলিগুড়ির পানিহাটা যাওয়ার পথে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলাম। সেখানে এক মাস যুদ্ধের কলাকৌশল শিখে ফিরে এসে দিনাজপুরে যুদ্ধে অংশ নেয়া হয়।’ তিনি জানান, তাঁদের দলে মোট ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। দিনের বেলা সাধারণ মানুষের মতো বাড়িতে অবস্থান করতেন, আর রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতেন। ‘রাকিব ভাই’ নামে পরিচিত একজন ছিলেন তাঁদের কমান্ডার।

করুণাকান্ত রায়ের স্মৃতিচারণায় দিনাজপুরের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণে ১১টি আক্রমণ পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শত্রুপক্ষকে দুর্বল করার লক্ষ্যে এই আক্রমণ পরিচালনা করতাম।’ ৬ জানুয়ারি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের দিনগুলোর স্মৃতি এখনও আমার মনে জাগ্রত করে তোলে।’

অনুষ্ঠানে কবি ও গবেষক বিধান দত্ত দিনাজপুরের মুক্তিযুদ্ধকালীন ইতিহাস, গণহত্যা ও শহীদদের আত্মত্যাগ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি শহীদদের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বলেন, ‘তাদের আত্মত্যাগের গল্প শুনে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের মূল্য বুঝতে হবে।’

"বৃষ্টির দিনে সিরাজগঞ্জ থেকে শিলিগুড়ির পানিহাটার উদ্দেশে রওনা হই প্রশিক্ষণ নিতে। সেখানে এক মাস যুদ্ধের কলাকৌশল শিখে ফিরে এসে দিনাজপুরে যুদ্ধে অংশ নিই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুইহারী, দিনাজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: করুণাকান্ত রায়, বিধান দত্ত, বিপ্লব চন্দ্র রায়, শবনম মুস্তারিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর, ৭ নম্বর সেক্টর, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা, ১১টি আক্রমণ, ৬ জানুয়ারি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖