📌 দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ৫৭টি মৌজার মধ্যে ৫০টির গেজেট প্রকাশিত হলেও ভূমি তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায় না। জনবল সংকট ও যন্ত্রপাতির বিকল অবস্থায় সেবাগ্রহীতাদের বারবার অফিসে যেতে হয়, যা তাদের সময় ও অর্থের বড় বড় খরচে পরিণত হচ্ছে
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় ডিজিটাল ভূমি সেবা থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা বঞ্চিত হচ্ছেন। উপজেলার ৫৭টি মৌজার মধ্যে ৫০টির গেজেট প্রকাশিত হলেও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ-সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সহজলভ্য নয়। ফলে সেবাগ্রহীতাদের সরাসরি সেটেলমেন্ট অফিসে যেতে হয়, যা তাদের সময় ও অর্থের বড় বড় খরচে পরিণত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার মধ্যে খানসামা উপজেলার নাম অনলাইন ভূমি তথ্য প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত নেই
- 📌 উপজেলার ৫৭টি মৌজার মধ্যে ৫০টির গেজেট প্রকাশিত হলেও অনলাইনে তথ্য পাওয়া যায় না
- 📌 অফিসের কম্পিউটার ও যন্ত্রপাতি বিকল অবস্থায় থাকায় পুরাতন পদ্ধতিতে চলছে সেবা
- 📌 জনবল সংকটে ১০টি পদে মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত, অন্যরা সংযুক্তিতে কাজ করছেন
- 📌 সেবাগ্রহীতাদের বারবার অফিসে আসতে হয়, যা কর্মজীবীদের দিনের কাজ বাদ দিতে বাধ্য করছে
📰 বিস্তারিত
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায় ভূমি তথ্য পাওয়ার জন্য সেবাগ্রহীতাদের সরাসরি সেটেলমেন্ট অফিসে যেতে হয়। উপজেলার ৫৭টি মৌজার মধ্যে ৫০টির গেজেট প্রকাশিত হলেও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ-সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায় না। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ১২টি উপজেলার নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে। কিন্তু খানসামা উপজেলার নাম তালিকায় নেই।
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের কম্পিউটার ও যন্ত্রপাতি বিকল অবস্থায় রয়েছে। ফলে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবার পরিবর্তে পুরাতন পদ্ধতিতে চলছে কার্যক্রম। হাসিমপুর মৌজার বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, জমিসংক্রান্ত সাধারণ তথ্যের জন্য তাঁকে অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করতে হয়। এক দিনে কাজ শেষ না হলে আবার আসতে হয়। এতে কর্মজীবী মানুষকে দিনের কাজ বাদ দিতে হচ্ছে।
জনবল সংকটও সেবার মান হ্রাস করছে। অফিসে মোট ১০টি পদ রয়েছে, কিন্তু বর্তমানে মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুর রহমান। তিনি সপ্তাহে এক দিন খানসামা অফিসে দায়িত্ব পালন করেন এবং পাশাপাশি দিনাজপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কর্মকর্তা ও বীরগঞ্জ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের দায়িত্বও পালন করছেন।
"গেজেট প্রকাশিত মৌজাগুলোর ভূমি রেকর্ড ও জরিপসংক্রান্ত তথ্য দ্রুত অনলাইনে হালনাগাদ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিকল কম্পিউটার ও যন্ত্রপাতি সচল করা এবং জনবলসংকট দূর করা গেলে সেবার মান বাড়বে।"
ছাতিয়ানগড় মৌজার বাসিন্দা সাদ বিন মাজিদ বলেন, অনলাইন সেবা থেকে বঞ্চিত থাকায় সেবাগ্রহীতাদের বারবার অফিসে আসতে হয়। এতে তাদের সময় ও অর্থের বড় বড় খরচ হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খানসামা উপজেলা, দিনাজপুর জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাকিবুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, সাদ বিন মাজিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭টি মৌজা, ৫০টি গেজেট প্রকাশিত, ১৩টি উপজেলা, ১২টি তালিকাভুক্ত, ১০টি পদ, ৫ জন কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!