📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় বিদ্যুত্ কর্মকর্তা গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে সন্দেহিত

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় বিদ্যুত্ কর্মকর্তা গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে সন্দেহিত

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা বিদ্যুত্ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এরশাদ আলী গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সন্দেহিত। অভিযোগে বলা হয়, মিটার সমস্যা, রিচার্জ মিটার বা রিডিং কমিয়ে দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ৩৪ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা দাবি করছেন

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় বিদ্যুত্ অফিসের কর্মকর্তা গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সন্দেহিত। উপ-সহকারী প্রকৌশলী এরশাদ আলীকে অভিযোগে বলা হয়, মিটার সমস্যা, রিচার্জ মিটার বা বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ৩৪ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। করল্যাছড়ি এলাকার গ্রাহকরা এই অভিযোগ তুলেছেন এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দীঘিনালা উপজেলা বিদ্যুত্ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এরশাদ আলী গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সন্দেহিত।
  • 📌 মিলন বলেছেন, তার বাড়িতে গিয়ে মিটার সমস্যা দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে সংযোগ কেটে দিয়ে ৩৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়।
  • 📌 মনির হোসেন দাবি করেন, রিচার্জ মিটার করার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে রিডিং কমিয়ে দেওয়ার কথা বলে আরো ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।
  • 📌 করল্যাছড়ি এলাকায় আরও কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।
  • 📌 এরশাদ আলী অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন, কিন্তু তদন্তের দাবি করেছেন।

📰 বিস্তারিত

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা বিদ্যুত্ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এরশাদ আলীকে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে সন্দেহিত করা হয়েছে। করল্যাছড়ি এলাকার গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন যে, কর্মকর্তারা মিটার সমস্যা, রিচার্জ মিটার বা রিডিং কমিয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মিটার লক করে দেওয়া বা বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখানো হয়েছে।

মিলন নামের এক গ্রাহক বলেছেন, তার বাড়িতে গিয়ে মিটার সমস্যা দেখিয়ে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে সংযোগ কেটে দিয়ে তাকে অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আরো ৩৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়। তিনি বলেছেন, ‘আগে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে সংযোগ কেটে দিয়ে অফিসে নিয়ে যায়। মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সেখানে ৩৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়।’

অন্য এক গ্রাহক মনির হোসেন দাবি করেছেন, রিচার্জ মিটার করার কথা বলে তার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরে রিডিং কমিয়ে দেওয়ার কথা বলে আরো ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘রিচার্জ মিটার করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছে। পরে রিডিং কমিয়ে দেওয়ার কথা বলে আবারও টাকা নেয়। সরকারি সেবা পেতে যদি এভাবে টাকা দিতে হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব?’

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, করল্যাছড়ি এলাকায় আরও কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। কারও মিটার নিয়ে সমস্যা দেখানো হয়েছে, কারও কাছে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ভয় দেখানো হয়েছে। আবার কারও মিটারের রিডিং কমিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

"বিষয়গুলো যাচাই না করে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, মিটারের তথ্য এবং গ্রাহকদের সঙ্গে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।"

এরশাদ আলী বলেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: করল্যাছড়ি এলাকা, দীঘিনালা উপজেলা, খাগড়াছড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এরশাদ আলী (উপ-সহকারী প্রকৌশলী), মিলন, মনির হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার টাকা, ৩৪ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖