📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ধলেশ্বরীর দূষণ ও দখল: মাছের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি

ধলেশ্বরীর দূষণ ও দখল: মাছের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ধলেশ্বরী নদীর দূষণ ও দখল থেকে মাছের সংখ্যা কমে যাওয়া পর্যন্ত জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি সৃষ্টি করেছে। বয়স্ক মাছ ধরার দিলবর হোসেনের সাক্ষ্য ও জাতীয় নদী কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে নদীর বিপর্যয়কর অবস্থা। বিশ্ব নদী দিবসের এই দিনে এই সমস্যার গুরুত্ব আরো বাড়ছে

ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী চরকুন্দনিয়া গ্রামের বাসিন্দা দিলবর হোসেনের জীবনের গল্পই হলো এই নদীর দূষণ ও দখলের সাক্ষ্য। ষাটের ওপর বয়সী এই ব্যক্তি মনে করেন, ধলেশ্বরী আগের মতো নেই। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে নদীর মাছের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, পানির দূষণ এবং জনস্বাস্থ্যের বড় হুমকি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ধলেশ্বরী নদীর মাছের সংখ্যা ৯০% কমে গেছে** — দিলবর হোসেনের কথায়, আগে তিনি এক রাতে ১০-১৫ হাজার টাকার মাছ ধরতেন, কিন্তু এখন মাছের সংখ্যা নগণ্য হয়ে গেছে।
  • 📌 **নদীর দূষণে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বেড়েছে** — জাতীয় নদী কমিশনের গবেষণা অনুযায়ী, দূষিত পানি ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডসহ নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
  • 📌 **৭ হাজার শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে পড়ছে** — প্রতিদিন ৬০ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য (টেক্সটাইল, ডাইং, ওষুধ) ঢাকার নদীতে ফেলা হচ্ছে।
  • 📌 **ধলেশ্বরীতে ট্যানারির তরল বর্জ্যে ক্রোমিয়ামের উচ্চমাত্রা** — নদীর পানি পরীক্ষায় দেখা গেছে, ট্যানারির বর্জ্যে ক্ষতিকর ধাতু রয়েছে।
  • 📌 **বিশ্ব নদী দিবস ২০২৬-এ নদীর দূষণ ও দখলের সমস্যা উঠে এসেছে** — ২৭ সেপ্টেম্বর পালিত বিশ্ব নদী দিবসে এই সমস্যার গুরুত্ব আরো বাড়ছে।

📰 বিস্তারিত

ঢাকার বুড়িগঙ্গা সেতু থেকে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত চরকুন্দনিয়া গ্রামের বাসিন্দা দিলবর হোসেনের জীবনের গল্পই হলো এই নদীর বিপর্যয়ের সাক্ষ্য। ষাটের ওপর বয়সী তিনি বলেন, ‘আগে ধলেশ্বরীতে মাছের পরিমাণ ছিল অনেক। এক রাতেই ১০-১৫ হাজার টাকার মাছ ধরতাম। কিন্তু এখন মাছের সংখ্যা কমে গেছে। আগে পেতাম বোয়াল, আইড়, শোল, রুই, কাতলা, বাইন, ট্যাংরা, ইঁচা, গলদা, জাটকা, পোয়া, কাজরি — এসব মাছ। এখন সবই কমতি।’

দিলবর হোসেনের কথায়, নদীর অবস্থা শুষ্ক মৌসুমে আরো খারাপ হয়ে পড়ে। তখন বুড়িগঙ্গা থেকে ‘পচা’ পানি আসে এবং নদীর মাছ মরে ভেসে ওঠে। তিনি বলেন, ‘নদী আগের মতো গভীর ছিল না, সোতও ছিল না। এখন নদী ভরাট হচ্ছে।’

জাতীয় নদী কমিশনের ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে ধলেশ্বরীর অবস্থা সম্পর্কে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুড়িগঙ্গার মতো ধলেশ্বরীও দূষণ ও দখলের শিকার হয়ে যাচ্ছে। গবেষণা থেকে জানা যায়, নদীর দূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূষিত পানি ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, হেপাটাইটিসসহ নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশে নদ-নদীর দখল ও দূষণ শুধু জলজ প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য বিপদ ডেকে আনছে না, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।’ তিনি উল্লেখ করেন, দেশে ১৮০টি নদী রয়েছে, প্রতিটি জেলায় গড়ে ১৬টি নদী প্রবাহিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি নদী (৯৭টি) রয়েছে।

"নদী যত বিপর্যস্ত হচ্ছে, এসব রোগের ঝুঁকি তত বাড়ছে।"

ঢাকার চারপাশে ১১টি শিল্পাঞ্চল রয়েছে, যেখানে ৭ হাজার শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধনের কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিন প্রায় ৬০ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য (টেক্সটাইল, ডাইং, প্রিন্টিং ও ওষুধ) ঢাকার খাল ও নদীতে পড়ে। শিল্পবর্জ্য ছাড়াও নৌযান থেকে নিঃসৃত জ্বালানি ও তেলও নদীকে দূষিত করছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চরকুন্দনিয়া গ্রাম, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিলবর হোসেন (৬০+ বয়স), মনজুর আহমেদ চৌধুরী (সাবেক নদী কমিশন চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: - ১০-১৫ হাজার টাকা: এক রাতে ধরা যেত মাছের মূল্য (আগে) - ৭ হাজার: শিল্পকারখানা - ৬০ হাজার ঘনমিটার: প্রতিদিন নদীতে পড়া বর্জ্য - ১১টি: ঢাকার শিল্পাঞ্চল - ১৮০টি: বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖