📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ থেকে কাঁচপুরে স্থানান্তরিত হবে দূরপাল্লার ১৬টি জেলার বাস: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ থেকে কাঁচপুরে স্থানান্তরিত হবে দূরপাল্লার ১৬টি জেলার বাস: ডিএসসিসি প্রশাসক

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম ঘোষণা করেছেন, দূরপাল্লার ১৬টি জেলার বাস সায়েদাবাদ থেকে কাঁচপুরে স্থানান্তরিত হবে। ট্রাফিক হ্রাস এবং গণপরিবহন ব্যবস্থা সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে এই প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি ৩০ শতাংশ। ডিসেম্বর মধ্যে প্রাথমিক কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে

ঢাকা মহানগরীর যানজট হ্রাস এবং গণপরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাসগুলো শিগগিরই কাঁচপুরে নির্মাণাধীন নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কাঁচপুর বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে এই ঘোষণা দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৬টি জেলার বাস স্থানান্তর**: চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ দূরপাল্লার ১৬টি জেলার বাস সায়েদাবাদ থেকে কাঁচপুরে স্থানান্তরিত হবে।
  • 📌 **ট্রাফিক হ্রাস**: দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার মূল শহরে প্রবেশ না করায় যানজট হ্রাস পাবে।
  • 📌 **শাটল সার্ভিস**: কাঁচপুর থেকে সায়েদাবাদ যাতায়াতের জন্য বিশেষ শাটল সার্ভিস চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
  • 📌 **গুলিস্তান টার্মিনাল স্থানান্তর**: বুড়িগঙ্গার ওপারে গুলিস্তান বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের জন্য জমি অধিগ্রহণ চলছে।
  • 📌 **প্রকল্প ব্যয়**: প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে টার্মিনাল নির্মাণের বর্তমান অগ্রগতি ৩০ শতাংশ।
  • 📌 **সুযোগ-সুবিধা**: ৪০৫টি বাস ধারণক্ষমতা, ৪৮০ আসনের ওয়েটিং জোন, ১০৬টি টিকিট কাউন্টারসহ সুবিধাসমৃদ্ধ টার্মিনাল নির্মাণাধীন।

📰 বিস্তারিত

কাঁচপুর বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজের পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রাথমিকভাবে অস্থায়ী শেড নির্মাণ করে বাসগুলো স্থানান্তরিত হবে। পরবর্তীতে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি প্যাকেজে নির্মাণ কাজ পরিচালিত হচ্ছে। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ ৭৫ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ ২৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বর মধ্যে প্রাথমিক কাজ শেষ করে টার্মিনাল চালু করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

পরিদর্শনকালে তিনি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের কঠোর নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করা এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার না করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।

১২ একর জায়গায় নির্মাণাধীন টার্মিনালে ৪০৫টি বাসের ধারণক্ষমতা, ৩৭৮টি বাস পার্কিং, ২২টি বাস বে, ৫টি ওয়াশিং বে এবং ৪০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া, যাত্রীদের সুবিধার্থে ৪৮০ আসনের ওয়েটিং জোন, ১০৬টি টিকিট কাউন্টার, পুরুষদের জন্য ১০টি এবং নারীদের জন্য ৬টি টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

"প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে দ্রুততম সময়ে কাঁচপুরে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার বাসগুলো ঢাকার মূল শহরে প্রবেশ না করায় যানজট হ্রাস পাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (কাঁচপুর বাস টার্মিনাল), সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, গুলিস্তান বাস টার্মিনাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুস সালাম (ডিএসসিসি প্রশাসক), আজহারুল ইসলাম মান্নান (সাংসদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬টি জেলা, ৫০ কোটি টাকা, ৩০ শতাংশ অগ্রগতি, ৪০৫টি বাস ধারণক্ষমতা, ৪৮০ আসনের ওয়েটিং জোন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖